ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কোনো ঋণখেলাপি ব্যক্তি যাতে প্রার্থী হতে না পারেন, সে লক্ষ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে চিঠি দিয়েছে কমিশন।
রোববার (১২ এপ্রিল) ইসির নির্বাচন পরিচালনা শাখার উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।
তিনি জানান, আসন্ন ১২ মে’র নির্বাচনে ঋণখেলাপিদের অংশগ্রহণ ঠেকাতে কঠোর আইনি বিধান কার্যকর করা হচ্ছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হওয়ার পরপরই তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রার্থীদের ঋণের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করবেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। ২২ ও ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বাছাই করার আগেই এই ঋণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাবে। এরপর ২২ ও ২৩ এপ্রিল চলবে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্রের চুলচেরা বিশ্লেষণ। কোনো প্রার্থীর আবেদন বাতিল হলে তারা ২৬ এপ্রিল আপিল করতে পারবেন, যা পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হবে। ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে শুরু হবে ভোটের চূড়ান্ত লড়াই।
ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, বর্তমান সংসদের আসন বিন্যাস অনুযায়ী এবার বিএনপি জোট ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট ১টি সংরক্ষিত আসন পাচ্ছে। এরই মধ্যে লড়াইয়ে অনেক নারী প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।