ঢাকা: চিরচেনা কর্মব্যস্ত রাজধানী ছেড়ে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার চিরায়ত দৃশ্য আবারও ফিরে এসেছে রেলাঙ্গনে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে ভোরের আলো ফুটতেই উত্তরবঙ্গগামী ‘ধূমকেতু এক্সপ্রেস’ ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সূচনা হয়েছে এবারের ঈদের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা। উৎসবের এই যাত্রার প্রথম দিনে স্টেশনে যাত্রীদের আনাগোনা ও ব্যস্ততা থাকলেও, এখনো চিরকালীন সেই উপচে পড়া ভিড় বা চেনা ভোগান্তির রূপ দেখা যায়নি।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম জানিয়েছন, বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে নিবিড় সমন্বয় থাকায় এবার ঈদযাত্রায় কোনো শিডিউল বিপর্যয় ঘটবে না এবং পুরো প্রক্রিয়াটি স্বস্তিদায়ক হবে।
শনিবার (২৩ মে) সকালে কমলাপুর স্টেশনের সার্বিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে আসেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম।
রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন, আমরা চেষ্টা করব যেন যাত্রীরা ছাদে না উঠতে পারে। উত্তরবঙ্গের যাত্রীদের মধ্যে ছাদে ওঠার একটি ট্রেন্ড আছে, আমরা লক্ষ্য করেছি। ছাদে যাত্রী উঠা বাংলাদেশের রেলওয়ের রেল চলাচলের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, যারা ছাদে উঠে ভ্রমণ করে তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
সচিব আরও জানান, আমাদের ভিজিলেন্স টিম আছে। তারা এগুলো দেখভাল করছে। তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। লোকবল বাড়ানো হয়েছে। রাতে যেন স্টেশনে প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে।
এদিকে, এর আগে আজ সকালে রেলস্টেশনে কয়েকটি প্ল্যাটফর্ম ঘুরে যাত্রীদের সমস্যার কথা শুনেছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আফজাল হোসেন।
এ সময় তিনি যাত্রীদের কাছে জানতে চান অনলাইনে টিকিট কাটতে কোনো সমস্যা হয় কিনা। এ ছাড়া যাত্রীরা নিজ আসনে বসে যেতে পারছেন কি না, সেটাও জানতে চান। যাত্রীদের বিভিন্ন অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনে মহাপরিচালক তা ধীরে ধীরে সমাধানের আশ্বাস দেন।