পঞ্চগড়: সদর উপজেলার হাতিভাষা ইউনিয়নের বড় বাড়ি শূন্য রেখায় আটকে রয়েছে ১০ জন। এদের মধ্যে তিনটি শিশু ও দুজন নারী রয়েছেন; বাকিরা পুরুষ।
শুক্রবার (৫ জুন) ভোররাতে তাদের পুশইন করার চেষ্টা করে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। কিন্তু বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ও স্থানীয় অধিবাসীদের প্রতিরোধে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
এদিকে ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধানে আসতে পারেনি বিজিবি বিএসএফ। আটকে থাকা মানুষগুলো পানিযুক্ত খোলা মাঠে আইলের ওপর কষ্টে সময় পার করছে। শুক্রবার রাতে তারা সারারাত ভিজেছে। এখন পর্যন্ত তারা না খেয়ে আছে। এদের মধ্যে শিশুদের অবস্থা খুবই খারাপ।
অপরদিকে শনিবার (৬ জুন) দুপুরে ঘটনাস্থলেই বিজিবি ও বিএসএফ’র মধ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির ৫৬ নীলফামারী ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের দু’পক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। আমরা তাদের জানিয়েছি তাদের এই পুশইনকে কোনোভাবেই আন্তর্জাতিক আইন সমর্থন করে না। অবৈধভাবে পুশইন বিজিবি ও বাংলাদেশের জনগণ মেনে নেবে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘যাদের পুশইন করার চেষ্টা করা হয়েছে তারা এখন সীমান্তের শূন্য রেখায় মানবেতর জীবন-যাপন করছে।’ বিএসএফ তাদের উচ্চপর্যায়ে আলাপ করার কথা জানিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন বিজিবির এই কর্মকর্তা।