Sunday 08 November 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

নারী ও শিশু নির্যাতন রোধে ৪১ হাজারেরও বেশি ডিএনএ প্রোফাইল তৈরি

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
১৬ জুন ২০২৬ ০৯:১৯

ছবি: সংগৃহীত।

ঢাকা: নারী ও শিশু নির্যাতনের দ্রুত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে। এরইমধ্যে সারা দেশে মোট ৪১ হাজার ৫৫৫টি নমুনার ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য সেলিমা রহমানের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন।

তিনি জানান, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ন্যাশনাল ফরেনসিক ডিএনএ প্রোফাইলিং ল্যাবরেটরি এবং সাতটি বিভাগীয় ল্যাবে এই প্রোফাইলিং করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, শিশু ধর্ষণ ও নির্যাতনের অপরাধ দমনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০২৬ অনুযায়ী বিচারকার্য পরিচালিত হচ্ছে। ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে ধর্ষণ মামলার তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল করা হয়েছে এবং অভিযোগ গঠনের পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ করার বিধান যুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীর সম্মতি নির্বিশেষে ডিএনএ আইন, ২০১৪ অনুযায়ী ডিএনএ পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও বলেন, নির্যাতনের শিকার নারী ও শিশুদের সহায়তায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে পর্যায়ক্রমে ৩৭টি ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসি) স্থাপন করা হবে। বর্তমানে ১৪টি ওসিসির মাধ্যমে চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও মনোসামাজিক কাউন্সেলিং প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ৯৫টি সেন্টারের মাধ্যমে লক্ষাধিক নারী ও শিশুকে সেবা দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ন্যাশনাল হেল্পলাইন ১০৯ নম্বরে ২৪ ঘণ্টা সেবা দেওয়ার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৮৮ লাখেরও বেশি নারী ও শিশুকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। হেল্পলাইনের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে ইতিমধ্যে ১৮ হাজার ৮২৪টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে। এছাড়া নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা ও বিভিন্ন অঞ্চলে ট্রমা কাউন্সেলিং সেন্টারের মাধ্যমে মনোসামাজিক সেবা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধে নতুন আইন প্রণয়নের কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

 

 

সারাবাংলা/এফএন/ এএ