Saturday 24 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি শফিকুর রহমান আর নেই

‎সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৪ অক্টোবর ২০২৬ ২২:০৬

মুহম্মদ শফিকুর রহমান।

ঢাকা: ‎জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা, প্রবীণ সাংবাদিক ও চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুহম্মদ শফিকুর রহমান মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
‎
‎শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।
‎
‎পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাজধানীর বনানীতে নিজ বাসভবনে হঠাৎ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন শফিকুর রহমান। পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার তার মৃত্যু হয়।
‎
‎জানা গেছে, আজ বাদ এশা গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে শফিকুর রহমানের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। পরিবারিক সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রয়াতের ইচ্ছা অনুযায়ী তাকে গ্রামের বাড়ি চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের বালিথুবা গ্রামে সমাহিত করা হতে পারে। মরহুমের একমাত্র মেয়ের সোমবার ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এরপর দাফনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
‎
‎‎১৯৪৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের মিয়াজী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মুহম্মদ শফিকুর রহমান। তার বাবা মৌলভী আবদুল হামিদ এবং মা আয়েশা খাতুন।
‎
‎তিনি ১৯৬৫ সালে ফরিদগঞ্জ আলিয়া মাদরাসা থেকে কামিল (হাদিস) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ১৯৬৭ সালে চাঁদপুর সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ থেকে ১৯৭০ সালে স্নাতক এবং ১৯৭১ সালে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন।
‎
‎তিনি ২০১৬-১৭ ও ২০১৭-১৮ মেয়াদে টানা দুইবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন মুহম্মদ শফিকুর রহমান। তিনি চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসন থেকে ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমবার এবং ২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দ্বিতীয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট পর্যন্ত তিনি জাতীয় সংসদে ফরিদগঞ্জের প্রতিনিধিত্ব করেন।
‎
‎মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ অসংখ্য সহকর্মী, শুভাকাঙ্ক্ষী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর