Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

সেনাবাহিনীকে জনগণের আস্থার জায়গায় দেখতে চাই: সারজিস

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
১১ অক্টোবর ২০২৫ ২০:৫৬
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

পঞ্চগড়: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিশ্বস্ততার জায়গায়, জনগণের আস্থার জায়গায় দেখতে চাই। কিন্তু সেনাবাহিনীর কতিপয় কালপ্রিট যারা আওয়ামী লীগের দ্বারা ব্যবহৃত হয়ে কিংবা নিজের ইচ্ছায় গুম-খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে জড়িয়েছে— তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাতে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় চাঁদাবাজি, দখলদারিত্ব, সিন্ডিকেট ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত লংমার্চের পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

সারজিস আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘সেনাবাহিনীর কতিপয় জেনারেল ও অফিসার অতীতে গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও ডিজিএফআই–এর অপকর্মে জড়িত ছিল। তাদের কারণে পুরো সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। তাই এদের শনাক্ত করে গ্রেফতার ও শাস্তির আওতায় আনতে হবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি সেনাবাহিনীর অন্যান্য অফিসার ও সদস্যদের উদ্দেশ করে আরও বলেন, ‘কয়েকজন কালপ্রিটের জন্য পুরো সেনাবাহিনীর মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট হতে দেবেন না।’

লংমার্চে বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের সন্তানেরা জীবন দেয়নি— দিয়েছে সাধারণ মানুষ, শ্রমিকরা, গরিব মানুষের সন্তানরা। অথচ ফায়দা লুটেছে কিছু প্রভাবশালী রাজনীতিক। এখন জেলা-উপজেলায় ৫ থেকে ১০ জন চাঁদাবাজ, চোরাকারবারি ও সিন্ডিকেটকারীর দৌরাত্ম্যে সাধারণ মানুষ ভুগছে। এই কালপ্রিটদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’

এসময় এনসিপির পাঁচ উপজেলার নেতাকর্মী ও জাতীয় যুব শক্তির কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে শনিবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠ থেকে লংমার্চ শুরু হয়। এরপর সদর উপজেলার কামাত কাজলদিঘী, চাকলাহাট, হাড়িভাসা, হাফিজাবাদ, অমরখানা ও সাতমেরা ইউনিয়ন হয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলার দেবনগর, ভজনপুর, বুড়াবুড়ি ও শালবাহান ইউনিয়ন অতিক্রম করে সন্ধ্যা ৬টায় তেঁতুলিয়া চৌরাস্তায় প্রথম পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে তিরনইহাট ইউনিয়ন হয়ে বাংলাবান্ধা ইউনিয়নের সিপাই পাড়া বাজারে আরও একটি পথসভা হয়। পরে রাতেই জেলা শহরের শেরে বাংলা পার্কে সমাপনী পথসভার মধ্য দিয়ে লংমার্চ কর্মসূচি শেষ হয়।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর