Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তরই বড় চ্যালেঞ্জ: নাহিদ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৯ নভেম্বর ২০২৫ ১৭:২৫
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

ঢাকা: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার সবচেয়ে বড় শর্ত হলো একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন। তিনি মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনই দেশ এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বার্তা দেবে—বাংলাদেশ কি শান্তিপূর্ণভাবে একটি গণতান্ত্রিক ট্রানজিশনে এগোতে পারবে, নাকি অস্থিতিশীলতা দীর্ঘায়িত হবে।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘চতুর্থ বাংলাদেশ অর্থনীতি সম্মেলন ২০২৫’-এ বক্তব্য দিতে গিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের জন্য এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে নির্বাচনটি শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজন করা। যদি আমরা সেটা করতে না পারি, অস্থিতিশীলতা থেকেই যাবে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, গত ১৬ বছরের অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি রাতারাতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। তবে জনগণের কাছে ইতিবাচক বার্তা দিতে হবে যে দেশ কর্মসংস্থানমুখী ও দক্ষতাভিত্তিক অর্থনৈতিক দিকেই এগোচ্ছে।

তারুণ্যের বেকারত্ব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দক্ষতা ভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারলে তরুণদের কর্মসংস্থানের সংকট দূর করা সম্ভব।

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে তরুণদের রাজপথে নামার পেছনে অর্থনৈতিক বৈষম্যই বড় ভূমিকা রেখেছিল বলে মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিবাদী সময়ে যেই লুটতরাজের অর্থনীতি, ব্যাংক লোপাট ও অর্থপাচারের মাধ্যমে যে অলিগার্ক-মাফিয়া শ্রেণির উত্থান ঘটেছিল—সেটাই বৈষম্যকে তীব্র করেছে। তাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের স্লোগান তখন এত জনপ্রিয় ছিল।’

তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময়ই তারা আন্দোলনটির নাম দেন ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’, যাতে চাকরির দাবির পাশাপাশি সমাজের বৃহত্তর বৈষম্যের প্রশ্নটিও উঠে আসে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, গত এক দশকের তিনটি বড় ছাত্র আন্দোলন—প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাটবিরোধী আন্দোলন, ২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং নিরাপদ সড়ক আন্দোলন—সবই এই গণঅভ্যুত্থানের পটভূমি গঠনে ভূমিকা রেখেছে। এসব আন্দোলনের মধ্যে তরুণদের অর্থনৈতিক আকাঙ্ক্ষা গভীরভাবে জড়িত ছিল।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, বৈষম্য দূরীকরণ ও অর্থনৈতিক সংস্কারের মাধ্যমে ভবিষ্যতের ‘নতুন বাংলাদেশ’ গড়তে সক্ষম হবে দেশ।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর