ঢাকা: ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত নেতা আলহাজ্ব কবীর আহমেদ ভূইয়া বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির বাতিঘর। তিনি শুধু বিএনপির নয়, সমগ্র দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অন্যতম শক্তিশালী প্রতীক। দেশের রাজনীতির টার্নিং পয়েন্টগুলোতে তার দৃঢ়, সাহসী ও সংগ্রামী ভূমিকা জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।
রোববার (৪ জানুয়ারি) বিকেলে আখাউড়া সড়ক বাজার ঢাকা হোটেল মিলনায়তনে বিএনপির চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। আখাউড়া উপজেলা বিএনপি, পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠিত এ দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ করা যায়।
এ সময় কবীর আহমেদ ভূইয়া আরও বলেন, ‘দেশে যখনই গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, তখনই বেগম জিয়া নেতৃত্ব দিয়েছেন জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে। তার দৃঢ়তা, সহনশীলতা ও দেশপ্রেম ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় আদর্শ হয়ে থাকবে। আমরা তার আদর্শকে ধারণ করে একটি গণতান্ত্রিক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কাজ চালিয়ে যাব।’
দোয়া মাহফিলটি সভাপতিত্ব করেন আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি জয়নাল আবেদীন আবদু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মুসলিম উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেলাল উদ্দীন সরকার তুহিন, আখাউড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. খোরশেদ আলম ভূইয়া, পৌর বিএনপির সভাপতি মো. সেলিম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক আকতার খানসহ দলের স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।
বক্তারা বলেন, ‘বেগম জিয়ার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সৎ চরিত্র, মানবিকতা ও ত্যাগের মাধ্যমে তিনি নিজেকে জাতির একজন অভিভাবকে রূপান্তরিত করেছিলেন। আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি ক্ষেত্রে তার বিচক্ষণ ভূমিকা ছিল অনন্য।’ বক্তারা তার অবদানকে জাতীয় ইতিহাসের অমূল্য সম্পদ বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানের শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত, তার পরিবার, দেশ ও জাতির শান্তি-সমৃদ্ধি এবং বিএনপির ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।
আখাউড়া উপজেলা ও পৌরসভাজুড়ে বেগম জিয়ার স্মরণে আয়োজিত এ দোয়া মাহফিলকে কেন্দ্র করে শোক ও শ্রদ্ধার আবহ বিরাজ করে। স্থানীয় নেতারা জানান, ভবিষ্যতেও বেগম জিয়ার আদর্শ ও রাজনৈতিক চেতনা ধরে রাখতে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচি নেওয়া হবে।