ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের অভিযোগ করেছেন,
রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে অনেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও পুলিশ সুপার (এসপি) পক্ষপাত করছেন।
তিনি বলেন, যারা দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এসব ডিসি এসপির বদলির ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনকে বলেছি।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বলেন, প্রার্থিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বৈষম্য দেখেছি। কারো নমিনেশন গ্রহণ করা হয়েছে, কারোটা হয়নি। বিএনপির ১২, ১৩ জন প্রার্থীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলেও তাদেরটা গ্রহণ করা হয়েছে। আমাদেরটা হয়নি। একই আইনের দুই ধরনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করেছি।
তিনি বলেন, দলীয় ডিসি নিয়োগ করা হয়েছে। তাই তারা দলীয় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা এসব ডিসি এসপির বদলির ব্যাপারে বলেছি। দেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই। কোনো ব্যক্তিকে অনেক প্রোটেকশন দেওয়া হচ্ছে, আবার কাউকে দেওয়া হচ্ছে না। এখন নির্বাচনের সময়, এটা একটা ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। মেজর পলিটিক্যাল পার্টির সঙ্গে সরকারের আচরণে সমতা থাকা উচিত। ইসি নীতিগতভাবে এ বিষয়ে একমত হয়েছে।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, সিসিটিভি ব্যবহার নিয়ে বলেছিলাম। ইসি বলেছে, সিসি ক্যামেরা চালু করবে। আবার সাজানো নির্বাচন হলে দেশ অস্তিত্ব সংকটে পড়বে। একটি দল এমন করে নির্বাসনে আছে। বাস্তবতা মেনে দেশের স্বার্থে সবাইকে দৃঢ় হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা কমিশনকে বলেছি, আপনাদের মাঠে প্রমাণ করতে হবে। আমরা স্পেসিফিক কোনো তালিকা দিইনি ডিসি-এসপিদের। আমরা পর্যবেক্ষণ করব, তারপর তালিকা দেব।
এই বৈঠকে দলের সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আযাদ, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।