ঢাকা: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়ে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণ। ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ যৌথভাবে এ বার্তা দেন।
বৃহস্পতিবার (০৮ জানুয়ারি) যৌথ অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা বার্তায় তারা বলেন, দুই যুগ পরে বহুল কাঙ্ক্ষিত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) ও হল শিক্ষার্থী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জকসু’র প্রথম নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভিপি, জিএস ও এজিএস পদসহ ২১ পদের মধ্যে ১৭ পদে ইসলামি ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থীদের বিজয়ী করেছে। এই বিজয় ন্যায় ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় ইসলামি ছাত্রশিবিরের কর্মসূচিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থনের বহিঃপ্রকাশ।
তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে ইসলামি ছাত্রশিবিরের ভূমিকা ও অবদান অনস্বীকার্য। বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্রশিবিরের কর্মকাণ্ডকে সুশৃঙ্খল, গণতান্ত্রিক, আদর্শিক ও নৈতিক হিসেবে চিহ্নিত করেই ডাকসু, জাকসু, রাকসু, চকসু এবং জকসু নির্বাচনে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসলামি ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেলকে বিজয়ী করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্যানেলকে বিজয় করে মূলত জাতিকে বার্তা দিয়েছে, এ দেশে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজ, দুর্নীতি, লুটপাট, ধর্ষক, খুনি ও নৈরাজ্যকারীদের স্থান নেই। সৎ, যোগ্য, আল্লাহভীরু, ন্যায়পরায়ণ, দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত নেতৃত্ব জাতির জন্য কল্যাণকর।
তাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সৎ, যোগ্য, আল্লাহভীরু, ন্যায়পরায়ণ, দুর্নীতি-সন্ত্রাস-চাঁদাবাজমুক্ত ইসলামী ছাত্রশিবিরের কাছে ছাত্র সংসদের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছে। তবে ষড়্যন্ত্রকারীরা থেমে থাকেনি। তারা শিক্ষার্থীদের ভোটের ফলাফল ভিন্নখাতে রূপ দিতে দেশ-বিদেশ থেকে নানা রকম ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত করেছে। শিক্ষার্থীরা নিজেদের ভোটের ফলাফল বুঝে নিতে গভীর রাত পর্যন্ত পেশাদারিত্বের ভূমিকা রেখেছে।