কুমিল্লা: কুমিল্লা-২ (হোমনা-তিতাস) সংসদীয় আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারের প্রথম দিনেই স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থকদের গাড়ি ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।
এ সময় বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে হোমনা সদর এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে প্রচারে প্রথম দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান তার কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রথমে প্রয়াত এম কে আনোয়ারের কবর জিয়ারত করেন। পরে পৌরসভার শ্রীমদ্দি গ্রামে প্রয়াত ইঞ্জিনিয়ার জলিলের কবর জিয়ারত করতে যাওয়ার পথে হোমনা ওভারব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিএনপির কর্মী-সমর্থকরা বাধা সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে তারা স্বতন্ত্র প্রার্থীর সমর্থক ও হোমনা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জহিরুল হক জহরের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়।
এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। তখন ধাওয়া-পালটা ধাওয়া ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষ চলাকালে স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার এম এ মতিন খান একটি মোবাইল ফোনের দোকানে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যায়। আহতদের হোমনা সরকারি হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় যৌথবাহিনী টহল জোরদার করেছে।
এ ঘটনায় বিএনপি প্রার্থী অধক্ষ সেলিম ভূইয়া ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ মতিন খানের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের পাওয়া যায়নি।
হোমনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, ‘বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’