ঢাকা: ঢাকা-৪ সংসদীয় আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের পক্ষে নির্বাচনি প্রচারের সময় জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবিকে রামদা দিয়ে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ও ঢাকা-৪ আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাতে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, নির্বাচনি প্রচারে কোনো প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর আরেক প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা হামলা চালানোর ঘটনা নির্বাচনকে বানচাল করার ষড়যন্ত্রের অংশ। যারা ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভরাডুবির পর শাকসু নির্বাচন বন্ধ করতে নির্বাচন কমিশন ঘেরাও করেছে তারাই সংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের ভয়ে নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তারা গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে না বলেই তারা বিরোধী দলমত সহ্য করতে পারে না। তারা একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা যেতে চায়। প্রশাসনের নিরব ভূমিকা জনমনে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে। প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারালে জনগণ রাজপথে নেমে আসতে বাধ্য হবে।
তারা আরও বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই একটি দলের নেতাকর্মীর কাছে মা-বোন নিরাপদ নয়; তারা ক্ষমতায় গেলে মানুষের জান ও মালের কোনো নিরাপত্তা থাকবে না। নির্বাচনের প্রচারণায় প্রতিপক্ষের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় নির্বাচনি আচরণ বিধি লংঘন হলেও কমিশন ও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারায় নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যদি কমিশন ও প্রশাসন কোনো দলের পক্ষপাতিত্ব করে তবে জামায়াতে ইসলামী জনগণের পক্ষে পক্ষপাতিত্ব করতে বাধ্য হবে।
এই অমানবিক ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে তারা বলেন, এমন নেক্কারজনক ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসীদের অনতিবিলিম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করতে হবে।
এর আগে, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর কদমতলীর ৫২ নম্বর ওয়ার্ডের ডিপটির গলির কাইল্লা পট্টিতে জামায়াত নেত্রী কাজী মারিয়া ইসলাম বেবিকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করা হয়।
কাজী মারিয়া ইসলাম বেবি জানান, একটি সরু গলির মধ্যে প্রবেশ করলে হঠাৎ কেউ তার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায়। হামলাকারীকে তিনি দেখতে পাননি।