Friday 30 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

রংপুর-১ আসন
জাপা প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে লড়াই এবার বিএনপি-জামায়াতের মধ্যে

রাব্বী হাসান সবুজ ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:১২ | আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১১:০৫

রংপুর-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোকারম হোসেন সুজন ও জামায়াত মনোনীত রায়হান সিরাজী। ছবি কোলাজ: সারাবাংলা

রংপুর: আসছে ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি ও জাতীয়পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে তোড়জোড় শুরু হয়েছে। যদিও গতবছরের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নির্বাচনে আসতে পারছে না আওয়ামী লীগ (সাময়িক কার্যক্রম নিষিদ্ধ)। সেক্ষেত্রে বেশিরভাগ জায়গায় বিএনপির শক্ত প্রতিপক্ষ হওয়ার চেষ্টা করছে জামায়াত, এনসিপি ও জাতীয় পার্টি। এই দল তিনটি তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে শক্ত অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে।

বর্তমানে সারাদেশে বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। এ ক্ষেত্রে থেমে নেই উত্তরের জেলা রংপুরও। তিস্তা তীরের এই অঞ্চলে সাধারণ মানুষের জীবনের লয় চলে স্বপ্ন আর সংগ্রামে। ভোটের হাওয়া এবার সেই লয়ে এক নতুন ছন্দ এনে দিয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্যের ছায়া থেকে বেরিয়ে নতুন বন্দোবস্ত ও গণতন্ত্র রক্ষার দাবি এখন জোরালো হয়ে উঠছে এখানে।

বিজ্ঞাপন

জেলার হাট-বাজার, ধানখেত, দোকানগুলোতে গল্প-আড্ডায় এখন শুধুই প্রসঙ্গ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। মিছিল-মিটিং, উঠান বৈঠকসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য প্রমাণে উঠে-পড়ে লেগেছেন তারা। তবে একসময়ের প্রচলিত বাণী ‘রংপুরের মাটি, জাতীয় পার্টির ঘাঁটি’ এবং ‘রংপুরের রাজনীতিতে হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদই যে শেষ কথা’- বাস্তবে এখন আর এমন নেই। আগে রংপুর জেলার সবক’টি আসনই জাতীয় পার্টির দখলে থাকতো। কিন্তু এখন পালটে গেছে সেই চিত্র।

এর আগে ভোটারবিহীন ও ভোট কারচুপি করে টানা মেয়াদে থাকা আওয়ামী লীগ দখলে নেয় জেলার চারটি আসন। আর আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী হওয়ায় দু’টি আসন ধরে রাখতে পারে জাপা। তবে জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পর এখন রংপুরের রাজনীতির হিসাব-নিকাশ পালটে গেছে বলে মনে করছেন অনেকে। এবার পরিবর্তিত পরিস্থিতে রংপুর থেকে আসন বের করা জাপার জন্য কঠিন হয়ে যাবে। কারণ, এখানকার আসনগুলোতে এবার বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপির শক্ত প্রার্থী রয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আসনভিত্তিক পরিক্রমায় এবার সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে সারাবাংলার আয়োজনে থাকছে রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও সিটি করপোরেশন এলাকা) আসনের চিত্র। গঙ্গাচড়া উপজেলা এবং রংপুর সিটি করপোরেশনের ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড নিয়ে রংপুর-১ আসন গঠিত। তিস্তা নদীবেষ্টিত এই আসনটি দীর্ঘদিন ধরে ভাঙন কবলিত। তিস্তার করাল গ্রাসে বছরের বিভিন্ন সময় যুদ্ধ চলে টিকে থাকার। এলাকাবাসীর দাবি, রংপুরের অন্যান্য আসনের চেয়ে এই আসনটি সবসময়ই উন্নয়ন বঞ্চিত। এই নির্বাচনি এলাকা এখন রাজনৈতিক ডামাডোলে সরগরম, যেখানে অতীতের ছায়া, বর্তমানের অনিশ্চয়তা এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনা মিলেমিশে একাকার ভোটারদের মনে।

স্বাধীনতার পর থেকে এই আসনের রাজনৈতিক যাত্রা যেন একটি দীর্ঘ উপন্যাসের মতো; পরিবর্তনশীল কিন্তু পুনরাবৃত্তিময়। ১৯৭৩ সালে আওয়ামী লীগের আবদুর রউফের জয় দিয়ে শুরু হয়েছে এই গল্প, যা ১৯৭৯-এ বিএনপির মশিউর রহমান যাদু মিয়ার হাতে চলে যায়। কিন্তু ১৯৮৬ সাল থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এই আসন জাতীয় পার্টির দখলে ছিল একটি অটুট দুর্গের মতো। ময়েজ উদ্দিন সরকার (১৯৮৬, ১৯৮৮), হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (১৯৯১, উপনির্বাচনে করিম উদ্দিন ভরসা), (১৯৯৬), মসিউর রহমান রাঙ্গা (২০০১, ২০১৪, ২০১৮), হোসেন মকবুল শাহরিয়ার (২০০৮) আসিফের মতো নেতারা এখানে একের পর এক জয় লাভ করেছেন। সর্বশেষ দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে জয় পান স্বতন্ত্র (আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী) প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান।

পরিসংখ্যান বলছে, ২০০১-এ রাঙ্গা ৭৭ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন, যখন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের শাহ মুহাম্মদ রুহুল ইসলাম সুজা মিয়া পীর সাহেব পেয়েছিলেন ৪৯ হাজারের কাছাকাছি। ২০০৮-এ আসিফের ১ লাখ ৬০ হাজারেরও বেশি ভোটও দেখিয়েছে জাতীয় পার্টির শক্ত অবস্থান। কিন্তু এই আধিপত্যের ফাটল দেখা যায় ২০১৪ এবং ২০১৮-এর বিতর্কিত নির্বাচনগুলোতে, যেখানে জয় পেলেও দলের জনপ্রিয়তা কমতে থাকে।

২০২৪ সালের নির্বাচন এই পরিস্থিত উলটে দিয়েছে। ‘ডামি নির্বাচন’ হিসেবে খ্যাত সেই ভোটে স্বতন্ত্র প্রার্থী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান বাবলু বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের ‘আসন ছাড়’ পেলেও তিনি স্থানীয়তার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন। বিপরীতে, জাতীয় পার্টির আসিফ শোচনীয় পরাজয়ের মুখোমুখি হয়ে জামানত হারিয়েছেন। আর সাবেক মন্ত্রী রাঙ্গা হেরেছেন প্রায় তিন গুণ ভোটের ব্যবধানে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ফলাফল শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, বরং দীর্ঘদিনের একটি গভীর আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন; যেখানে স্থানীয় বনাম বহিরাগত প্রার্থীর ইস্যু যুক্ত।

জানা গেছে, ১৯৭৩ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত এই আসনে নির্বাচিত সব এমপি ছিলেন বহিরাগত, যা স্থানীয়দের মনে একটি অসন্তোষের বীজ বপন করেছে। ২০২৪ সালে স্থানীয় হিসেবে আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী বাবলুর জয় এই ছন্দপতন ঘটিয়েছে। কিন্তু, ৫ আগস্টের সরকার পতনের পর তিনি লাপাত্তা হয়ে পড়ায় সেই উল্লাস এখন অনিশ্চয়তায় ঢাকা। গত বছরের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগ কোণঠাসা অবস্থায়, জাতীয় পার্টি নড়বড়ে ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে। এই শূন্যতায় সুযোগের দরজা খুলে গেছে বিএনপি ও জামায়াতের জন্য।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে একটি স্পষ্ট ধারণা, এবারের লড়াই হবে মূলত এই দুই দলের মধ্যে। লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের মহিপুর গ্রামের বাসিন্দা মাসুদ রানার কথায় ফুটে ওঠে এই অনুভূতি। সারাবাংলার এই প্রতিবেদককে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ নেই, জাতীয় পার্টি নেই। নির্বাচনে জামায়াত-বিএনপির যুদ্ধ হবে।’

গজঘণ্টা ইউনিয়নের হাবুকুটির গ্রামের বাসিন্দা বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থী রিয়াদ হোসেন সারাবাংলাকে বলেন, ‘পঞ্চাশ বছর ধরে বাইরের লোক এমপি হয়েছেন। উন্নয়ন তেমন হয়নি। কিন্তু এবার যে দলই আসুক, স্থানীয় প্রার্থীকে মূল্যায়ন করুক।’ স্থানীয় শিক্ষক খাদিমুজ্জামান আলম সারাবাংলাকে বলেন, ‘সাধারণ ভোটার যেদিকে যাবে, সেই পাল্লা ভারি হবে। কারণ, এখানে স্থানীয়-বহিরাগতের ইস্যু আছে।’

গঙ্গাচড়ার এই আসনে প্রার্থীদের ময়দানে এখন ভিড় বাড়ছে। বিএনপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন অনেকেই। তাদের মধ্যে উপজেলা বিএনপির সভাপতি চাঁদ, বিএনপি নেতা রুহুল আমিন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ওয়াহেদুজ্জামান মাবু এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোকাররম হোসেন সুজন। তবে দল মোকাররম হোসেন সুজনকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই উপজেলায় তার অবস্থান ভালো। তিনি তিন বারের নির্বাচিত আলম বিদিতর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। দলীয় সিদ্ধান্ত না মেনে গত বছরের ২৯ মে গঙ্গাচড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন করে দল থেকে বহিষ্কৃত হন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোকাররম হোসেন। উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে তিনি জয়ী হলেও শেষ পর্যন্ত আর চেয়ারে বসা হয়নি। এবার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে মোকাররমকে রংপুর-১ আসনের প্রার্থী করেছে বিএনপি।

মনোনয়ন নিয়ে এ আসনে দলীয় কোনো কোন্দল নেই। বরং, স্থানীয় নেতা-কর্মীরা সবাই সুজনের পক্ষে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। মোকারম হোসেন সুজন বলেন, ‘দল যেহেতু আমাকে প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন দিয়েছে, সেহেতু দলের সবাইকে নিয়ে কাজ করছি। নির্বাচনি প্রচার চালাচ্ছি; আমার এখানে কোনো সমস্যা নেই।’ গংগাচড়ার ভোটাররা তাকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাবে বলে আশা প্রকাশ করেন সুজন।

এই আসনে রংপুর মহানগর জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি রায়হান সিরাজী দলের প্রার্থী। তিনি নেতা–কর্মীদের নিয়ে গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছেন; তিনিও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী। সারাবাংলাকে তিনি বলেন, ‘১৯৮৬-এর নির্বাচনে সুজা মিয়া পীর সাহেবকে কারচুপি করে হারানো হয়েছিল। এখানে জামায়াতের শক্ত অবস্থান আছে। জাতীয় পার্টির কর্মীরা আমাদের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছেন, আর সাধারণ মানুষের সমর্থন বাড়ছে।’

এই আসনে বিএনপি- জামায়াতের বাইরে জাতীয় পার্টির (জাপা) প্রার্থী ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলী ছিলেন হেভিওয়েট প্রার্থী। তবে, ২৭ জানুয়ারি দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। গত ১ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে রংপুর জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা হলফনামায় দ্বৈত নাগরিকত্ব উল্লেখ না করার অভিযোগে ব্যারিস্টার মঞ্জুম আলীর মনোনয়ন বাতিল করেন। এরপর তিনি নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেন। প্রথম দফায় আপিল খারিজ হলেও পুনর্বিবেচনার আবেদনে ১৭ জানুয়ারি ইসি তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে বিএনপির প্রার্থী মোকাররম হোসেন সুজন হাইকোর্টে রিট করেন, যা ২১ জানুয়ারি মেনে নিয়ে হাইকোর্ট মঞ্জুমের মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করেন।

এই রায়ের ফলে রংপুর-১ আসনের নির্বাচনি সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে। মঞ্জুম আলী ছাড়া বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের এটিএম গোলাম মোস্তফাসহ আরও বেশ কয়েকজন প্রার্থী। অন্যদিকে জাতীয় পার্টির ছাত্রসংগঠন জাতীয় ছাত্র সমাজের সাবেক সভাপতি আল মামুন জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির রংপুর জেলা কমিটির আহ্বায়ক হয়েই এই আসনে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। তবে, জামায়াতের নেতৃত্বে ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ হওয়ায় তিনিসহ খেলাফত মজলিসের মমিনুর রহমান মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। এ ছাড়া, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের কারণে গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান সজীবও প্রত্যাহার করে নিয়েছেন তার মনোনয়ন।

উল্লেখ্য, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে এই আসনটিতে গঙ্গাচড়া উপজেলা ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮টি ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত ছিল। তখন ভোটার ছিল ৩ লাখ ৩২ হাজার ২১৯ জন। এর মধ্যে দু’জন ছিলেন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার। ভোট কেন্দ্র ছিল ১২৩ টি। এবার এই আসনের আংশিক পরিবর্তন হয়েছে। নতুন করে রংপুর সিটি করপোরেশনের ৯ নম্বর ওয়ার্ড আসনটিতে যুক্ত করা হয়েছে। এতে মোট ভোটার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৭৫ হাজার ২২৭ জন। এরমধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৮৬ হাজার ৩৯৪ জন, পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮২৯ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৪ জন। মোট ভোট বেড়েছে ৪৩ হাজার ৮টি। এখানে মোট কেন্দ্র ১৩৯টি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক হারুন অর রশীদ চৌধুরীর মতে, আওয়ামী লীগের তৃণমূল সমর্থক ও জাতীয় পার্টির হতাশ কর্মী এবং সাধারণ মানুষের ‘দলের বাইরের’ ভোট— এসব মিলিয়ে লড়াইটা হবে তীব্র।

বিজ্ঞাপন

বায়ুদূষণে বিশ্বে দ্বিতীয় ঢাকা
৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ০৯:২৬

আরো

সম্পর্কিত খবর