ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, দাঁড়িপাল্লা ও শাপলা কলির পক্ষে কাজ করতে গেলে যারা মা-বোনদের কাপড় খুলে ফেলতে চায় তারা আসলে মানুষ নয়। আল্লাহ না করুক তারা যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশের পরিবেশ কেমন হবে চিন্তা করুন! মা বোনরা ঐক্যবদ্ধ- আগামী ১২ তারিখ এর ফল দেখতে পাবেন।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বিকেলে ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকা জেলা আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসাইনের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, জাগপার সহসভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ মহানগরী আমির আব্দুল জব্বার, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট মশিউল আলম, ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ সিবগা।
এছাড়াও বক্তব্য দেন এনসিপির ঢাকা জেলা সমন্বয়ক রাসেল মোল্লা, ছাত্রশিবিরের ঢাকা জেলা দক্ষিণের সভাপতি মাহমুদ আল সিয়াম, এনসিপির ঢাকা-২০ আসনে এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাশদিদ, ঢাকা-১৯ আসনে প্রার্থী দিলশানা পারুল, ঢাকা-২ আসনের প্রার্থী কর্নেল (অব.) আব্দুল হক, ঢাকা-৩ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহীনুল ইসলাম, ঢাকা-১ আসনের প্রার্থী ব্যরিস্টার নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জাতি চিন্তা করেনি ফ্যাসিস্টরা অপদস্ত হয়ে বাংলাদেশে ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে এবং ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি একটি নির্বাচন হবে। জাতি চিন্তা করেনি ছোপ ছোপ রক্ত ও সারি সারি মরদেহ থেকে রেহাই পাবে। সাড়ে ১৫ বছর যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেছিল তারাই বাংলাদেশের ব্যাংক ডাকাতি ও শেয়ারবাজার লুট করেছে। জনগণের পকেট কেটেছে, দেশকে চাঁদাবাজির স্বর্গরাজ্য বানিয়েছে ও দুর্নীতিতে দেশকে ডুবিয়ে দিয়েছে।
পরিবর্তনের বাংলাদেশ গড়ার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, আমরা বলেছি- বাংলাদেশকে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত করব। মা-বোনদের ইজ্জত প্রতিষ্ঠা করব। ব্যাংক ডাকাতি শেয়ারবাজার লুট বন্ধ করব।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, যারা নিজেরা বছরের পর উধাও হয়েছিল, তারাই আবার মজলুমদের বলে গুপ্ত আর সুপ্ত। বাদ দেন এগুলো, সমালোচকদের আয়নায় নিজের চেহারা দেখার পরামর্শ দেন তিনি।
যুব সমাজের উদ্দেশে জামায়াত আমির বলেন, আমরা যুবকদের হাতে অপমানজনক বেকার ভাতা তুলে দেবো না। যুবসমাজের অধিকার না দেওয়ার কারণে তারা পালিয়ে গেছে। তাদের হাত গড়ে দেব ও সম্মানের কাজও তুলে দেব। বেকারভাতার কথা বলে তারা আমাদের যুব সমাজকে অপমান করতে চান।