ঢাকা: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে বিভিন্ন আসনে অনিয়ম, এজেন্ট বের করে দেওয়া এবং প্রার্থী ও তাদের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ১১ দলীয় জোট। এ সময় তারা শতাধিক ভিডিও ফুটেজ ও প্রামাণ্য দলিল জমা দিয়ে বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে তাৎক্ষণিক ভোট বন্ধের দাবি জানান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) সঙ্গে জোটের একটি প্রতিনিধি দলের বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল এসব তথ্য জানান।
যেসব সুনির্দিষ্ট অভিযোগ তোলা হয়েছে-
প্রতিনিধি দলের সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় টিমের সদস্য অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন হেলাল সাংবাদিকদের কাছে অনিয়মের চিত্র তুলে ধরেন। তিনি বলেন, কুমিল্লা-৮ (বরুড়া) অন্তত ৩০টি কেন্দ্র থেকে শুরুতেই এজেন্টদের বের করে দেওয়া হয়েছে। প্রার্থী অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন শফিকুল আলম নিজে লিখিত আবেদন করলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা কোনো ব্যবস্থা নেননি।
‘নরসিংদী-৪ (বেলাব-মনোহরদী) বেলাব পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে প্রিজাইডিং অফিসারের সহায়তায় জোরপূর্বক সিল মারার অভিযোগ আনা হয়েছে। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে জোটের প্রার্থীকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত ও রক্তাক্ত করার অভিযোগ করেন।’
এ সময় ১১ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা ও এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুর গাড়িবহরে হামলার তীব্র নিন্দা জানান তিনি।
এ ছাড়াও টাঙ্গাইল-২, ঝালকাঠি, পাথরঘাটা, পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ এবং শরীয়তপুরের বিভিন্ন আসনে কেন্দ্র দখল ও এজেন্টদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ কমিশনকে করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত নেতারা জানান, সিইসি ও অন্যান্য কমিশনাররা তাদের অভিযোগ ধৈর্য সহকারে শুনেছেন। কমিশন জানিয়েছে, তারা দ্রুত জরুরি বৈঠকে বসে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিবেন।
প্রতিনিধি দলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও এবি পার্টির শীর্ষ নেতারা।