ঢাকা: ডিএনসিসিকে পরিশুদ্ধ, পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন এবং সর্বাধুনিক নাগরিক সুবিধাসম্মন্ন নগরীতে পরিণত করতে অবিলম্বে নির্বাচন দিয়ে নগর প্রশাসনের ক্ষমতা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন।
রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর উত্তরায় নাগরিক উন্নয়ন ফোরাম উত্তরা পশ্চিম অঞ্চল আয়োজিত ডিএনসিসিতে মশক নিধন ও নাগরিক দুর্ভোগ লাঘবের দাবিতে এক মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সেলিম উদ্দিন বলেন, পবিত্র মাহে রমজান মাস চলছে। কিন্তু নগরীতে দুর্গন্ধ ও ময়লার ভাগার দুর করার মত প্রশাসনের কেউ আছে বলে মনে হয় না। মূলত, যথাযথ তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপের অভাবে অনাকাঙ্খিত দুর্গন্ধে নগরবাসী অতিষ্ট। তিনি
ডিএনসিসির নতুন প্রশাসকের উদ্দেশ্যে বলেন, রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রশাসক হয়েছেন। তাই পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নগরী গড়তে আপনাকে নিজে থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এ কাজে ফান্ডের অপ্রতুলতার কথা বলে দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। আপনার দলীয় কর্মী, সাধারণ জনগণের কাছে ফান্ড সংগ্রহ করুন। আমরাও আমাদের দলের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করবো।
তিনি ইতিকাফ, লাইলতুল ক্বদর ও ঈদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, অপরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধময় নগরীর কারণে ধর্মপ্রাণ মানুষের সিয়াম, কিয়ামসহ রমজান কেন্দ্রীক ইবাদত বন্দেগীতে সমস্যা হচ্ছে। আর পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন হচ্ছে ঈমানের অঙ্গ। তিনি অবিলম্বে ডিএনসিসিকে পবিত্র ও পরিশুদ্ধ করতে নগর প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান।
তিনি বলেন, নগর প্রশাসনের উদাসীনতা, অবহেলা ও অনিয়মের কারণে পুরো ডিএনসিসিই এখন মশকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। তাই পুরো নগরীতে মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করা দরকার। কারণ, মশার উৎপাতে জনজীবন রীতিমত অতিষ্ট হয়ে পড়েছে।
ফোরামের সহকারী পরিচালক মাহবুবুল আলমের পরিচালনায় কর্মসূচিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও উত্তরা পূর্ব অঞ্চলের পরিচালক জামাল উদ্দিন। আরো উপস্থিত ছিলেন উত্তরা পূর্ব থানা আমির মাহফুজুর রহমান, তুরাগ দক্ষিণ থানা আমির আবু বকর সিদ্দিক, দক্ষিণখান পূর্ব আমির আবু সাঈদ, দক্ষিণখান পশ্চিম আমির আবু সাঈদ শাহনেওয়াজ, দক্ষিণখান উত্তর আমির মোস্তাকিম আলম, উত্তরখান পূর্ব আমির ইসরাঈল হোসেন, উত্তরখান পশ্চিম আমির শেখ নিজাম উদ্দিন, খিলক্ষেত পূর্ব আমির মিকাঈল ইসলাম ও বিমানবন্দর আমির এনামুল হক শিপন প্রমুখ।