জাহিদ বলেন, ‘বিএনপি জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতায় এসে গণভোট বাস্তবায়নে গড়িমসি করে নিজেদের পায়ে নিজেরা কুড়াল মারছে। যে সংবিধানের আইন গণভোটের রায় বাস্তবায়নে গড়িমসি করে, সেই সংবিধান ছুঁড়ে ফেলে দিতে আমরা সময় নেব না। এই সংবিধান মেনে আমরা হাসিনাকে বিতাড়িত করিনি। কোনো জালিমকে বিতাড়িত করার জন্য আমরা কোনো আইন মানি না।’
তিনি বলেন, ‘যে বিএনপি ইলিয়াস আলীর গুমকারীদের খুঁজে বের না করে গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে, তারা কখনও মজলুমের পক্ষে থাকতে পারে না। তারা ভারতের প্রেসক্রিপশনে দেশ চালাচ্ছে।’
এ সময় মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান নাজির বলেন, ‘এ দেশের মানুষ আশা নিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়েছে, বাংলাদেশ বিনির্মানের জন্য গণভোটকে জয়ী করেছে। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করেছি, পুরনো ফ্যাসিবাদের মতো নতুন করে ফ্যাসিবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের মানুষ এসব মেনে নেবে না।’
হুশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘সাকিব আঞ্জুমান, আলী রায়হান জীবন দিয়েছে। প্রয়োজনে আমরা আবার জীবন দেব, কিন্তু বাংলাদেশকে বিনির্মাণ করে ছাড়ব। সবাই প্রস্তুত থাকুন, আবার লড়াই হবে।’
এ বিক্ষোভে মহানগর ছাত্রশিবিরের সাহিত্য সম্পাদক খালেদ হাসান, প্রকাশনা সম্পাদক নাজির আহমেদ সুপ্তসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বিকেল ৫টায় নগরীর যাদুঘর মোড় থেকে বিক্ষোভের সূচনা করে শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সাহেব বাজারের জিরো পয়েন্টে এসে এ সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন তারা।