Saturday 09 May 2026
সারাবাংলা: লেটেস্ট বাংলা খবর | ব্রেকিং নিউজ | Sarabangla.net

খিলগাঁওয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পিটুনিতে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২ আগস্ট ২০২৫ ১৪:৫৭

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা: রাজধানীর খিলগাঁও সিপাহীবাগ এলাকায় নজরুল ইসলাম মোল্লা (৪৩) নামে এক ব্যক্তিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পিটিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে স্বজন ও থানা পুলিশ মুগদা হাসপাতাল থেকে ওই ব্যক্তিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে মৃত নজরুলের মামা কামাল হোসেন জানান, তাদের বাড়ি মাদারীপুর জেলার কালকিনী উপজেলার পাঙ্গাশিয়া গ্রামে। বাবার নাম মৃত রহিম মোল্লা। বর্তমানে খিলগাঁও সিপাহীবাগ উত্তর গোড়ান চারতলা গলি এলাকায় স্ত্রী আকলিমা বেগম ও দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া থাকতেন নজরুল। বাসার পাশেই পুড়ি সিংগারার ব্যবসা করতেন তিনি।

বিজ্ঞাপন

তিনি আরও জানান, নজরুল ইয়াবা সেবন করতেন এবং বিক্রিও করতেন। খিলগাঁও থানায় নজরুলের নামে মাদক মামলা রয়েছে। গতকাল রাত আনুমানিক ১১টার দিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা নজরুলের বাসায় ঢুকে স্ত্রী সন্তানদের সামনে তাকে বেদম মারধর করে। পরে নজরুল ও তার স্ত্রী এবং বাসায় থাকা এক লাখ টাকা ও মোবাইল বাসবো ক্যাম্পে নিয়ে যায়। ক্যাম্পে নিয়ে গিয়েও বেধরক মারধর করে তাকে।

মৃত নজরুলের মামা জানান, ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে বাসাবো ক্যাম্পে নজরুল অচেতন হয়ে পরে। তখন তার স্ত্রীর কাছে দুই ভাই হাজার টাকা দিয়ে বলে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যেতেন। স্ত্রী আকলিমা বেগম নজরুলকে ভোরে মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে খিলগাঁও থানার সহায়তায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

স্বজনরা অভিযোগ করে বলেন, ‘নজরুলের হাতে পিঠে অসংখ্য মারের দাগ রয়েছে। একটা লোকের নামে মামালা থাকতেই পারে, তাই বলে এভাবে পিটিয়ে মেরে ফেলবে! তাকে ধরে পুলিশে দিতে পারতো। তার স্ত্রী সন্তানদের এখন কি হবে।’

খিলগাঁও থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম জানান, খিলগাঁওয়ের বাসা থেকে ওই ব্যক্তিকে স্বজনরা মুগদা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে থানা পুলিশের সহায়তায় ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে মারা যায়। এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

সারাবাংলা/এসএসআর/এসডব্লিউ