ঢাকা: জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে বিএনপি ক্ষমতায় গেলে গুম প্রতিরোধে আইন করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন।
রাজনৈতিক দর্শন, জাতি, ভাষা, নৃগোষ্ঠী, সংস্কৃতি ও বর্ণের কারণে গুম হয়ে মানুষগুলোর স্মরণে বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব এ দিবসটি পালন করে।
তারেক রহমান বলেন, ‘জোরপূর্বক গুম একটি বৈশ্বিক সমস্যা, মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। বিশেষ করে স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংঘাতপুর্ণ অঞ্চলে এ ধরনের অমানবিক ঘটনা ঘটে। রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা অনেক সময় সরকারবিরোধী আন্দোলন বা ভিন্ন মতের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে এ ধরনের নির্দয় কৌশল ব্যবহার করে থাকে।’
‘আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, বিএনপি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে বাংলাদেশে আর কোনো ব্যক্তি যেন গুম না হয়, সেটি নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ গৃহীত গুম প্রতিরোধ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কনভেশন (আইসিপিপিইডি) অনুসারে যথাযথ আইন প্রনয়ন করব’— বলেন তারেক রহমান।
তিনি বলেন, ‘নির্ভরযোগ্য মানবাধিকার সংস্থাগুলো একযোগে প্রকাশ করেছে যে, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত সাত শতাধিক মানুষকে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো গুম করেছে। এটি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ও হৃদয়বিদারক। আজ পর্যন্ত একটি গুমের ন্যায়বিচার পাওয়া যায়নি। তবে আশার কথা যে, বর্তমান সরকার ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫’- এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘গুম আন্তর্জাতিক অপরাধ হিসেবে স্বীকৃত। আইসিসির রোম সনদের ৭ (২) অনুচ্ছেদে গুমকে মানবতার বিরুদ্ধে একটি অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। এই মানবাধিকা লঙ্ঘনের জন্য ন্যায়বিচারের প্রয়োজনীতার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।’