Monday 12 October 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment
English

চা কারখানার দ্বন্দ্বে উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলার অভিযোগ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ২০:৪৪
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

পঞ্চগড়: পঞ্চগড়ে উত্তরা গ্রিন টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে তরুণ উদ্যোক্তাদের মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) চা কারখানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীরা তাদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া মামলা ও হয়রানির বর্ণনা করে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আরিফ হোসেন বলেন, ‘উত্তরা গ্রিন টি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের চা কারখানাটি দীর্ঘদিন যাবত পরিচালকদের মধ্যে দ্বন্দ্বে বন্ধ ছিল। এক পক্ষে ছিল সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের স্ত্রী আইরিন পারভীন, তার সন্তান ও ভায়রা ভাই। অপর পক্ষে আব্দুর রাজ্জাক, তারিকুল ইসলাম। ৫ আগস্ট ফ্যাসিবাদী হাসিনা পালানোর পর ড. মোহাম্মদ ইউনূস রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় বসার শুরুতেই তরুণ উদ্যোক্তা নিয়ে কথা বলেছিলেন। তার উদ্যোক্তা হওয়ার মোটিভেশনাল বক্তব্যে আকৃষ্ট হয়েই উত্তরা গ্রিন টি কারখানাটির এমডি এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ পরিচালকদের মতামতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আদালতের কাছে অনুমতি নিয়ে চুক্তিপত্র করে আমরা পাচঁ জন তরুণ উদ্যোক্তা চা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করি।’

বিজ্ঞাপন

আরিফ হোসেন বলেন, ‘কারখানায় শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে। ভাড়া নেওয়ার কয়েকমাস পরে আব্দুর রাজ্জাক বাদী হয়ে চা কারখানার চেয়ারম্যান আইরিন পারভীন, পরিচালক শাহআলম মিঠু, সাবেক শিক্ষা অফিসার বোরহান উদ্দিনের সঙ্গে আমার ছোট ভাই রাকিব হোসেনকে বিবাদী করে আদালতে মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে।’

তিনি বলেন, ‘পরিচালক পক্ষের দ্বন্দ্বে চা কারখানাটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় শতাধিক পরিবার কর্মসংস্থানহীন হয়ে পড়বে। তাই কারখানাটি সচল রাখাটাও আমাদের দায়িত্ব। কারখানাতে চা বিক্রির মাধ্যমে জড়িয়ে আছে সরকারের রাজস্ব আয়। এ ছাড়াও চা চাষিরা সরাসরি কারখানায় কাঁচা পাতা বিক্রি করতে পারছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি আমার ছোট ভাই রাকিবসহ আমরা এই কারখানার সঙ্গে জড়িত আছি। আমাদেরকে অহেতুক মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং মামলা থেকে মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন উদ্যোক্তা রাকিব হোসেন, কারখানার কর্মকর্তা মকলেছার রহমান, মন্তাজ আলী, শ্রমিক এবং স্থানীয় চা চাষিরা।

সারাবাংলা/এইচআই
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর