Wednesday 15 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে হচ্ছে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র


২৪ ডিসেম্বর ২০১৭ ১৫:৪১ | আপডেট: ১৭ মার্চ ২০১৮ ১৬:২২
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জোসনা জামান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

চট্টগ্রামের মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ‘মিরসরাই ১৫০ মেগাওয়াট ডুয়েল ফুয়েল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাব এসেছে পরিকল্পনা কমিশনে। আগামী মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে অনুমোদনের জন্য প্রকল্পটি উপস্থাপন করা হতে পারে।

অনুমোদন পেলে বিদ্যুৎ বিভাগের আওতায় আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

বিজ্ঞাপন

বিদ্যুৎকেন্দ্র তৈরিতে ব্যয় হবে ১ হাজার ৬৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে দেওয়া হবে ৯০৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থা দেবে ১৫৫ কোটির ৩৭ লাখ টাকা।

পরিকল্পনা কমিশনের শিল্প ও শক্তি বিভাগের সদস্য শামীমা নার্গিস বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র হলে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে ওঠা শিল্প কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যাবে। যে কারণে প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই অর্থনৈতিক অঞ্চলে তৈরি পোশাক কারখানা, কটন মিল, মোটরসাইকেল সংযোজন কারখানা নির্মাণের জন্য বিদেশি উদ্যোক্তরা বিনিয়োগ করতে আগ্রহ দেখিয়েছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছে।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বেজার প্রতিবেদন অনুযায়ী- মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য আগামী ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৪০ মেগাওয়াট, ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ১০০ মেগাওয়াট এবং ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিদ্যুতের চাহিদা হবে প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট।

পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য ড. শামসুল আলম সারাবাংলাকে বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে ডুয়েল-ফুয়েল এর মাধ্যমে ৯৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রাকে সামনে রেখে ২০১৯ সালের জুন মাসের মধ্যে ডুয়েল-ফুয়েল এর মাধ্যমে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে। তাই এই পরিকল্পনাটি সঙ্গতিপূর্ণ।

সারাবাংলা/জেজে/এটি