Sunday 30 Nov 2025
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

১০ম গ্রেডের দাবিতে ফরিদপুরে কর্মবিরতিতে টেকনোলজিস্ট-ফার্মাসিস্টরা

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
৩০ নভেম্বর ২০২৫ ১৬:২৯

ফরিদপুরে কর্মবিরতিতে টেকনোলজিস্ট-ফার্মাসিস্টরা

ফরিদপুর: ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি পালন করেছেন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ (ফমেক) হাসপাতালে কর্মরত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টরা। এতে ভোগান্তি পোহাতে দেখা যায় বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষা আসা রোগীদের। ফার্মেসি বিভাগে দীর্ঘ সময় লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন অনেকে।

রোববার (৩০ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত জেলার ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সরকারি সকল হাসপাতাল চত্বরে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

তাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী ৩ ডিসেম্বর অর্ধদিবস ও ৪ ডিসেম্বর পূর্ণদিবসসহ দাবি পুরন না হওয়া পর্যন্ত কমপ্লিট শাটডাউন (পূর্ণ কর্মবিরতি) কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

এ সময় বক্তারা জানান, দীর্ঘদিন যাবৎ বৈষম্যর শিকার হয়ে আসছেন। তাদের সমমনা কৃষি, প্রকৌশলী ও নার্স ডিপ্লোমাধারীদের ১১তম গ্রেড থেকে ১০ম গ্রেড করা হলেও আজও বৈষম্যের শিকার তারা। নিজেদের মর্যাদা রক্ষার দাবিতে বাধ্য হয়ে রোগীদের সেবা বন্ধ রেখে কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে।

এ সময় মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শেখ রুহুল আমিন বলেন, ‘আমরা অনেকবার আন্দোলন করেছি, অনেকবার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমাদের ফাইল অদৃশ্য কারণে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আটকা পড়ে আছে।‘

তিনি আরও বলেন, ‘এরমধ্যে সরকারকে আমরা ৯৬ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছিলাম, আমাদের কথা রাখেননি। আমাদের মর্যাদা লড়াইয়ের জন্য সারাদেশের মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা আজ সোচ্চার। আমাদের দাবি মেনে না নেওয়া হলে ৪ ডিসেম্বর কমপ্লিট শাটডাউনে চলে যাব। এ সময়ে রোগীদের ভেগান্তি হলে সেই দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।’

এদিকে তাদের এই কর্মসূচি চলাকালে হাসপাতালে প্যাথলোজি, ব্লাড ব্যাংক, রেডিওলজিসহ বিভিন্ন বিভাগে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে আসা রোগীদের ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে। রাজবাড়ীর পাংশা থেকে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন এক রোগীর স্বজন মো. কুতুবউদ্দিন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সকালে চিকিৎসক দেখে ভাঙ্গা হাতের এক্সরে করতে দিয়েছে, ৯ টার দিকে এসে দেখি এখানে কেউ নেই, শুনেছি তারা কর্মবিরতিতে গিয়েছে। সকাল থেকেই বসে আছি, কেউ কোনো কাজ করছে না।’

অপরদিকে ফার্মেসি বিভাগে গিয়েও দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। এ সময় ওষুধ নিতে আসা রোগীর স্বজনরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর