শহরজুড়ে বিয়ের মরসুম! অগ্রহায়ণ পড়তে না পড়তেই টেলিপাড়ায় বিয়ের হিড়িক। এবার চার হাত এক হলো আরেক টেলি দম্পতির। সাত পাকে বাঁধা পড়লেন কৃষ্ণকলি, রাণী রাসমণিখ্যাত জি-বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা হালদার।
দীর্ঘদিন ধরেই সম্পর্কে ছিলেন প্রিয়াঙ্কা। অবশেষে মনের মানুষের গলায় মালা দিলেন তিনি। পাত্র সৌরভ রায়। রাজ চক্রবর্তীর ‘পারবো না আমি ছাড়তে তোকে’ ছবিতে দেখা মিলেছিল তার। বেঙ্গলের হয়ে ক্রিকেটও খেলেছেন সৌরভ। বর্তমানে সিসিএলে বেঙ্গল টাইগার্স টিমের সদস্য তিনি।
সৌরভ নিজেও অভিনয় পেশার সঙ্গে যুক্ত। প্রিয়াঙ্কা-সৌরভ দুজনেই রাধা-মাধব ভক্ত। তাই মায়াপুর ইস্কনেই নিজেদের নতুন জীবনের সূচনা করলেন দুজনে। সেখানেই চারহাত এক হলো নবদম্পতির।
বিয়ের দিন টুকটুক লাল বেনারসিতে সেজেছিলেন প্রিয়াঙ্কা। গলায় গোলাপের মালা। গা-ভর্তি গয়নায় সুন্দরী কনে। প্রিয়াঙ্কার মাথায় মুকুট-মাথাপট্টি। সৌরভ অবশ্য টোপর নয় পাগড়ি পরে বিয়ে সেরেছেন।
বিয়ে সেরে কৃষ্ণকলির বড় বউমা লেখেন, ‘আজীবনের জন্য বাধা পড়লাম। সবসময় চেয়েছি সংসার করতে এবং জগন্নাথজির আর্শীবাদেই তোমাকে পেয়েছি। আমাদের গল্প তার সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়ে প্রবেশ করল। চিয়ার্স টু হ্য়াপিলি এভার আফটার’।
বিয়েটা শহর থেকে দূরে করলেও প্রিয়াঙ্কা-সৌরভের বৌভাতের আসর ছিল জমজমাট। হাজির ছিল ইন্ডাস্ট্রির বন্ধুরা। অনুরাগের ছোঁয়ার পরিবার, কৃষ্ণকলি গোটা টিম হাজির ছিল প্রিয়াঙ্কার বিয়ের রিসেপশনে।
সেদিন নবদম্পতিকে দেখা গেছে অফ হোয়াইট পোশাকে। সাদা লেহেঙ্গায় সাজলেন কনে। শেরওয়ানিতে ঝলমল করলেন সৌরভ।
পাঁচ বছর আগে আলাপ। সেখান থেকে প্রেম। ভবিষ্যত পরিকল্পনাও সেরে ফেলেছেন দুজনে। ক্রংক্রিটের জঙ্গল থেকে দূরে হিমালয়ে ঘর বাঁধতে চান সৌরভ-প্রিয়াঙ্কা। সময় পেলেই বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েন তারা।
অভিনেত্রী জানান, ‘আমরা দুজনেই স্পিরিটুয়ালি খুব কানেক্টেড। বিয়েটা তাই মায়াপুর ইস্কনে হয়েছে। বৈদিক নিয়ম অনুসারে। বাকিটা পুরোপুরি ঈশ্বরের হাতে। জগন্নাথজির আর্শীবাদে সবটা হয়েছে’।
এদিন দেখা মিলল রাহুল-প্রীতি, আদিত্য়-পূর্বাশা, বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সম্রাট মুখোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তী, সুজন নীল মুখোপাধ্যায়, জ্যামি বন্দ্যোপাধ্যায়দের।