ব্রাহ্মণবাড়িয়া: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির চেয়ে তার স্ত্রীর সম্পদ আড়াই গুণের বেশি।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের মনোনীত সম্ভাব্য প্রার্থী জোনায়েদ সাকির জমা দেওয়া হলফনামা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
গত ২৯ ডিসেম্বর জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকি নিজেকে ‘প্রকাশক’ এবং তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে ‘আলোকচিত্রী ও শিক্ষক’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। জোনায়েদ সাকির বার্ষিক আয় ৭ লাখ ৭২ হাজার ৯৩৬ টাকা। এর মধ্যে ব্যবসা থেকে আয় ১ লাখ ২০ হাজার ১৪১ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ২ হাজার ৭৯৫ টাকা এবং পেশাগত আয় ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা।
অন্যদিকে তাসলিমা আক্তারের বার্ষিক আয় ২৩ লাখ ৯ হাজার ২১১ টাকা। তার আয়ের উৎসের মধ্যে রয়েছে স্থাবর সম্পত্তি থেকে ভাড়া বাবদ ৪ লাখ ৮০ হাজার ৪০০ টাকা, সঞ্চয়পত্র থেকে ৩ লাখ ১০ হাজার ৩৬৯ টাকা, পেশা থেকে ৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা এবং বাড়ি ও দোকান ভাড়া থেকে ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা।
স্থাবর সম্পদের বিবরণে দেখা যায়, জোনায়েদ সাকির নামে ১১ একর অকৃষিজমি রয়েছে এবং একটি ফ্ল্যাট কেনার জন্য তিনি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা অগ্রিম জমা দিয়েছেন। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ১৮ দশমিক ১৮ শতাংশ কৃষিজমি, একটি ফ্ল্যাট এবং একটি দোকান।
২০২৫-২৬ অর্থবছরের আয়কর রিটার্ন অনুযায়ী, জোনায়েদ সাকির মোট সম্পদের মূল্য ৪৬ লাখ ৬২ হাজার ৬০২ টাকা। বিপরীতে তার স্ত্রী তাসলিমা আক্তারের মোট সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ২২ লাখ ৯৩ হাজার ৩০৪ টাকা। সেই হিসেবে সাকির চেয়ে তার স্ত্রীর সম্পদ আড়াই গুণের বেশি।
হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। তার স্থায়ী ঠিকানা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ ইউনিয়নের চরলহনিয়া গ্রামে। তিনি মরহুম মো. ফজলুর রহমান ও মাসুদা খানমের সন্তান। শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে তিনি স্নাতক পাস উল্লেখ করেছেন।