Sunday 11 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

উচ্চ সুদহারের প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়: বিএবি চেয়ারম্যান

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪৭ | আপডেট: ১০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০২

বিএবি চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার – ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ব্যাংকিং খাতে বর্তমানে উচ্চ সুদহারের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো পুরোপুরি স্পষ্ট নয়- বলে মন্তব্য করেছেন বিএবি চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়— উভয় উৎস থেকে ব্যাংক খাতে তহবিল সরবরাহ থাকলেও সুদহার প্রত্যাশিত মাত্রায় কমছে না। সুদহার বেড়ে গেলে রফতানি খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কারণ উৎপাদন ব্যয়ের বড় একটি অংশ নির্ভর করে আর্থিক খরচের ওপর। ফাইন্যান্সিং কস্ট বেশি হলে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়ে।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘ব্যাংকিং অ্যালমানাক’–এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, সাধারণভাবে চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতেই সুদহার নির্ধারিত হয়। চাহিদা বেশি হলে সুদহার বাড়ে— এটাই স্বাভাবিক অর্থনৈতিক নিয়ম। তবে সরকার যদি ব্যাংক খাত থেকে ঋণ গ্রহণ কমাতে পারে, তাহলে সুদহারের ওপর কিছুটা চাপ কমবে।

তিনি বলেন, সম্প্রতি অর্থনৈতিক উপদেষ্টা সরকারি বন্ডের সুদহার কমানোর কথা বলেছেন, যাতে ব্যাংকিং খাত থেকে তহবিল অন্য খাতে সরে না যায়। বর্তমানে ব্যাংকিং খাতে তারল্যের ঘাটতি না থাকলেও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাবে অনেক ব্যাংক উদ্বৃত্ত অর্থ কার্যকরভাবে বিনিয়োগ করতে পারছে না।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও সামগ্রিক ব্যবসায়িক পরিবেশ শিল্পখাতে নতুন বিনিয়োগের জন্য এখনো পুরোপুরি অনুকূল নয় উল্লেখ করে বিএবি চেয়ারম্যান বলেন, এ কারণে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকি নিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন।

ব্যাংকিং খাতে আস্থার সংকটের দিকটিও তুলে ধরেন তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনৈতিক বিবেচনায় যথাযথ যাচাই ছাড়াই কিছু ব্যাংকের অনুমোদন দেওয়ায় খাতে কাঠামোগত দুর্বলতা তৈরি হয়েছে। এর ফলে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ দেশীয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে চলে গেছে, যা সুদহার বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর