ঢাকা: আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট জয়যুক্ত করতে আসনভিত্তিক পৃথক ও বিশেষ কর্মপদ্ধতি গ্রহণ করেছে এনসিপি। সারাদেশে জোরালো জনমত গড়ে তুলতে প্রার্থী থাকা এবং না থাকা আসনগুলোর জন্য আলাদা প্রচার কৌশল নির্ধারণ করেছে দলটি।
রোববার (১১ জানুয়ারি) এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচনী মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান মাহাবুব আলম এক বিবৃতিতে এই প্রচার কৌশলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এনসিপির যেসব আসনে নিজস্ব প্রার্থী রয়েছে, সেখানে প্রচারণার মূল নেতৃত্বে থাকবেন সংশ্লিষ্ট প্রার্থীরাই। প্রার্থীরা সরাসরি কর্মী, সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবেন। মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ, উঠান বৈঠক ও প্রচারপত্র বিলির মাধ্যমে তাঁরা ‘হ্যাঁ’ ভোটের গুরুত্ব তুলে ধরবেন। প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেজ ও দলীয় সাংগঠনিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে এই আসনগুলোতে সর্বোচ্চ ভোট নিশ্চিত করাই দলটির লক্ষ্য।
যেসব আসনে এনসিপির কোনো প্রার্থী নেই, এমন ২৭০টি আসনের জন্য বিশেষ কৌশল নিয়েছে দলটি। এসব আসনে প্রচারণা সচল রাখতে ‘অ্যাম্বাসেডর’ বা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে। এই প্রতিনিধিরা এনসিপির রাজনৈতিক বার্তা এবং গণভোটের প্রয়োজনীয়তা স্থানীয় জনগণের কাছে পৌঁছে দেবেন। প্রার্থীর অনুপস্থিতিতেও যাতে প্রচারণায় কোনো ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মাহাবুব আলম জানান, এই দ্বি-মুখী কৌশলের মাধ্যমে এনসিপি সারাদেশে একটি সমন্বিত ও সর্বব্যাপী প্রচারণা নিশ্চিত করতে চায়। প্রার্থী থাকুক বা না থাকুক, দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষের কাছে দলের বার্তা স্পষ্টভাবে পৌঁছে দেওয়াই এনসিপির মূল উদ্দেশ্য। দলটির বিশ্বাস, এই সুশৃঙ্খল প্রচারণার মাধ্যমে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ব্যাপক জনমত গঠন করা সম্ভব হবে।