Sunday 11 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

নির্বাচন হলে কি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে- বিচারপতি শফিউলের প্রশ্ন

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৬:২৬ | আপডেট: ১১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:১৩

-ফাইল ছবি

ঢাকা: মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১–এ। এ মামলার অপর আসামি ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়।

রোববার (১১ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে তিনটি অভিযোগে পলক ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

বিজ্ঞাপন

প্রসিকিউশনের শুনানি শেষে পলকের পক্ষে আইনজীবী লিটন আহমেদ আদালতে বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত ৯ জানুয়ারি তারা কারাগারে গিয়ে আসামির সঙ্গে প্রিভিলেজ কমিউনিকেশন করতে চেয়েছিলেন। তবে ল্যাপটপ ও পেনড্রাইভ সঙ্গে নেওয়ার অনুমতি না দেওয়ায় সে কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। এজন্য আগামী শুক্রবার বিষয়টি শেষ করতে এবং ১৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানি করতে সময় চান তিনি।

এ সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আসামিপক্ষের শুনানির জন্য ইতোমধ্যে ১৪ জানুয়ারি নির্ধারিত রয়েছে। চাইলে আজই ট্রাইব্যুনালের হাজতখানায় প্রিভিলেজ কমিউনিকেশন করতে পারেন তারা।

ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানও বলেন, শুক্রবার অপেক্ষা না করে আজই এসব কাজ সম্পন্ন করা যেতে পারে। তবে আসামিপক্ষ তাদের আবেদনে অনড় থাকে। তখন চিফ প্রসিকিউটর অভিযোগ করেন, বিচারকার্য বিলম্বিত করতেই আসামিপক্ষ এমন কৌশল নিচ্ছে।

একপর্যায়ে পলকের আইনজীবীরা জানান, প্রসিকিউশন দেওয়া জব্দকৃত ১০টি ভিডিওর মধ্যে কয়েকটি তারা ওপেন করতে পারেননি। এ বিষয়ে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ বলেন, প্রসিকিউশনের উপস্থিতিতেই বিষয়টি যাচাই করা যেত। চিফ প্রসিকিউটর বলেন, তাদের পক্ষের ডিভাইসে সব ভিডিও ওপেন হচ্ছে, আসামিপক্ষের ডিভাইসে সমস্যা থাকতে পারে।

ট্রাইব্যুনাল নির্দেশ দেন, ডিভাইস সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে আজই দুই ঘণ্টা সময় নিয়ে তা সমাধান করতে এবং নির্ধারিত তারিখেই শুনানি করতে।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা বলেন, ফর্মাল চার্জ অনেক বড় হওয়ায় পুরোটা পর্যালোচনায় সময় প্রয়োজন। এ সময় ট্রাইব্যুনাল আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সময় মঞ্জুর করেন।

শুনানি প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর মন্তব্য করেন, আসামিপক্ষ ধারণা করছে নির্বাচন হলে বিচার কার্যক্রম থেমে যাবে, তাই তারা সময়ক্ষেপণ করছে। এর প্রতিক্রিয়ায় বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ বলেন,’ইলেকশন হলে কি আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসবে—এমন কথা বলবেন না।’

পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল এমন মন্তব্য পরিহারের নির্দেশ দেন এবং আগামী বৃহস্পতিবার অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য করেন।

সারাবাংলা/টিএম/এসআর
বিজ্ঞাপন

সুন্দরবন থেকে ২ জেলেকে অপহরণ
১১ জানুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৭

আরো

সম্পর্কিত খবর