Wednesday 14 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদারের প্রতিশ্রুতি ফিনল্যান্ড ও বাংলাদেশের

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট
১৪ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৪০

-ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: নিজেদের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিষ্কার শক্তি, ডিজিটাল পরিষেবা এবং বস্ত্র খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে ফিনল্যান্ড ও বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ সফররত ফিনল্যান্ডের অনাবাসী রাষ্ট্রদূত কিমো লাহদেভির্তা বুধবার (১৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব ও পশ্চিম) ড. মো. নজরুল ইসলামের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দুই পক্ষ এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে। সাক্ষাৎকালে বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ধারাবাহিক অগ্রগতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে। একইসাথে বিশেষ করে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পরিষ্কার শক্তি, ডিজিটাল পরিষেবা এবং বস্ত্র খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে।

বিজ্ঞাপন

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আসন্ন নর্ডিক দিবস উদযাপনে সচিব রাষ্ট্রদূত এবং ফিনল্যান্ডের জনগণকে অভিনন্দন জানান।

ফিনিশ রাষ্ট্রদূত পুনর্ব্যক্ত করেন যে, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ দেখে ফিনল্যান্ড খুবই আনন্দিত। সচিব ড. ইসলাম বাংলাদেশের সংস্কার এজেন্ডা এবং জুলাইয়ের জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় গণভোটের পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ তারিখে নির্ধারিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোকপাত করেন। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং সংস্কার উদ্যোগের প্রতি ফিনল্যান্ডের সমর্থনের প্রশংসা করে ড. ইসলাম আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের জন্য একটি বৃহৎ ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইওএম) মোতায়েনের জন্য ফিনল্যান্ড এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রশংসা করেন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ফিনিশ নির্বাচন পর্যবেক্ষকরা শীঘ্রই বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনে যোগ দেবেন।

সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম শ্রম অধিকার এবং কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তার প্রতি দেশের অঙ্গীকারের উপর জোর দিয়ে বাংলাদেশের এলডিসি-পরবর্তী উত্তরণ এবং জিএসপি+ আকাঙ্ক্ষার জন্য ফিনল্যান্ডের সমর্থন কামনা করেন। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন যে, পরিবর্তনকালীন ছাড়ের সময়কালের পরে, বাংলাদেশ এবং ইইউর একটি নতুন ব্যবস্থার প্রয়োজন হবে এবং একটি সম্ভাব্য বাংলাদেশ-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) এর জন্য ফিনল্যান্ডের সমর্থন ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) গুলোতে বিনিয়োগের সুযোগগুলো তুলে ধরে ড. ইসলাম রাষ্ট্রদূতকে ইপিজেড পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানান যাতে তারা উৎপাদন সুবিধা, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং সর্বোপরি বাংলাদেশে বিনিয়োগের সুযোগ সম্পর্কে সরাসরি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। তিনি ঢাকায় আসন্ন ব্যবসায়িক ইভেন্টগুলিতে ফিনিশদের অংশগ্রহণকেও উৎসাহিত করেন। প্রতিক্রিয়ায় রাষ্ট্রদূত কোরিয়ান এবং জাপানি ইপিজেড পরিদর্শনে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং জোর দিয়ে বলেন যে ফিনিশ ব্যবসায়ী সম্প্রদায় বাংলাদেশে আসন্ন ইইউ ব্যবসায়িক ইভেন্টগুলিতে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী।