ঢাকা: জামায়াতসহ ১১টি রাজনৈতিক দলের জোটের সম্ভাব্য নাম ‘১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্য’ রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) জামায়াতের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়।
১১ দলের মধ্যে ১০ দল বৈঠকে অংশ নেয়। চরমোনাই পীরের দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ বৈঠকে অংশ নেয়নি। তবে তাদের সিদ্ধান্তের জন্য ১০ দলের নেতারা অপেক্ষায় রয়েছেন।
বৈঠকের বিষয়ে এবি পার্টির মজিবুর রহমান মঞ্জু জানান, আজ রাত ৮টায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে।
বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সংবাদ সম্মেলনে ২৫০ আসনের সমঝোতা হিসেবে কোন দলের কত আসন তা ঘোষণা করা হবে। বাকি ৫০ আসন ইসলামী আন্দোলনের সিদ্ধান্তের পর জানানো হবে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চাঁদ, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, খেলাফত মজলিশের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের, খেলাফত আন্দোলনের নায়েবে আমির মাওলানা মুজিবুর রহমান হামিদী প্রমুখ।
এদিকে ১০ দলের বৈঠক থেকে বের হয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান তার ফেসবুক পেজে লেখেন, ‘আজ রাত ৮টায় আমাদের ঐক্যের আসন সমঝোতা ও অন্যান্য বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।’
‘পরিস্থিতি যাই হোক, আমরা সকলেই রাজপথের সাথী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন। অতএব বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন এবং অন্যান্য দলের নেতাদের ও সমর্থকদের বিনয়ের সঙ্গে অনুরোধ করছি আপনারা দয়া করে একে অপরের প্রতি অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ ও শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন।’
রাশেদ প্রধান লিখেন, ‘ঐক্যের বৃহত্তর স্বার্থে আমি এবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। গণভোটে হ্যাঁ এর পক্ষে এবং ঐক্যের প্রার্থীদের হয়ে নির্বাচনি প্রচারণায় অংশগ্রহণ করব ইনশাআল্লাহ। আমাকে যারা ভালোবাসেন, তারা দয়া করে মন খারাপ করবেন না। ব্যক্তি রাশেদ প্রধানের চেয়ে আমাদের সমঝোতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর আমাকে যারা ঘৃণা করেন, আপনারা আপনাদের চিরাচরিত সুমধুর ভাষায় গালিগালাজ শুরু করতে পারেন। মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ আমাদের ঐক্যের এই প্রচেষ্টা দেশের স্বার্থে কবুল করুন, আমিন।’