ঢাকা: বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে শহিদ জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন তারা।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ইউট্যাবের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আজ ৯০তম জন্মবার্ষিকী। এই উপলক্ষে আমরা তার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে এসেছি। শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল একজন ব্যক্তি নন; তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে বাংলাদেশকে বিশ্বের মানচিত্রে একটি নতুন ও গৌরবময় অবস্থানে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি সেই ব্যক্তি, যিনি বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রকৃত স্থপতি। বাংলাদেশের যত সফলতা, তার সবকিছুই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এসেছে। তিনি যতদিন দেশের দায়িত্ব পালন করেছেন, ততদিন বাংলাদেশের রাজনীতিতে উন্নয়নের জোয়ার বয়ে গেছে। তিনি ছিলেন একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক। তার মতো রাষ্ট্রনায়ক বাংলাদেশে শুধু নয়, বিশ্বেই অত্যন্ত বিরল। একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়কের অভাব আমরা বাংলাদেশে গভীরভাবে অনুভব করছি।
ইউট্যাবের মহাসচিব মোর্শেদ হাসান খান বলেন, আজ আমরা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করছি। তিনি বাংলাদেশকে নতুনভাবে গড়ে তোলেন এবং আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। অত্যন্ত স্বল্প সময়ে তিনি সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। আইন সবার জন্য—এই নীতিকে সামনে রেখে তিনি দেশ পরিচালনা করেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলাদেশে প্রথম শ্রম রপ্তানি শুরু হয়, গার্মেন্টস শিল্পের সূচনা হয়। এমন কোনো ক্ষেত্র নেই, যেখানে এত অল্প সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়নে তিনি অবদান রাখেননি।
তিনি আরও বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যদি জন্মগ্রহণ না করতেন, তাহলে আজ বাংলাদেশের জন্ম এত সহজে হতো না। সশস্ত্র যুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন এবং বীর উত্তম খেতাব লাভ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বাংলাদেশকে একটি উন্নত অবস্থানে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং তার শাসনামলেই দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল। এরপর আর কোনো সময় আমরা সেইভাবে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পারিনি। তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক। কোনো দেশের কাছে মাথা নত করেননি। তার সেই ব্যক্তিত্ব ও দেশপ্রেম তিনি শেষ পর্যন্ত নিজের জীবন দিয়ে প্রমাণ করে গেছেন— সবার আগে দেশ।আমরা তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন— এই দোয়া করেছি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন— ড. মো. কামরুল আহসান, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুর রশীদ, অধ্যাপক ড. মাসুমা হাবিব, অধ্যাপক ড. শামসুল আলম সেলিম, অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. ছবিরুল ইসলাম হাওলাদার, অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মতিনুর রহমান, অধ্যাপক ড. মো. তোজাম্মেল হোসেন, অধ্যাপক ড. আসলাম হোসেন, অধ্যাপক ড. আবু জাফর খান, অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন, অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, অধ্যাপক ড. মো. আলী জিন্নাহ, অধ্যাপক ড. এ এইচ এম শামীম, অধ্যাপক ড. মো. আতাউর রহমান, অধ্যাপক দেবাশীষ পাল, খান মো. মনোয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ শের মাহমুদ, তাহমিনা আখতার টফি, ড. মো. জাফরুল আজম, ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, ড. মো. খালেদউজ্জামান, ড. জিএম শফিউর রহমান, ড. মো. কুদরত-ই-জাহান, ড. মোহা. হাছানাত আলী, মো. মিনহাজুল আবেদীন, ড. মো. রবিউল ইসলাম, ড. এস. এম. হেমায়েত জাহান, ড. মো. মামুন অর রশিদ, ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম, ড. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, ড. মোহাম্মদ আব্দুল মালেক, ড. মেহেদী হাসান সিকদার, ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ, ড. মো. নুরুল আমিন, ড. মো. আব্দুল লতিফ, ড. মোহাম্মদ জামশেদ আলম, ড. এফ এম আমিনুজ্জামান, ড. কাজী আহসান হাবীব, ড. মো. আব্দুল্লাহেল বাকী, ড. মো. রাশেদুল ইসলাম, ড. নূর মহল আখতার বানু, ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম, ড. মো. মাহবুবুল আলম, ড. রঞ্জন রায়, ড. মো. ইদ্রিস আলী, ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, ড. মো. খায়রুল ইসলাম, ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম, ড. শিরীন সুলতানা, মো. তানভীর আহসান, ড. মোহাম্মদ ইকবাল, ড. সালমা আখতার, নাছির আহমেদ, মো. শওকত আলী, মোস্তাফিজুর রহমান, নওশের ওয়ান ও ড. আমির হোসেন প্রমুখ।