ঢাকা: আশুলিয়া মডেল টাউন (আমিন মোহাম্মদ হাউজিং) থেকে ৩৮ টুকরো কঙ্কাল উদ্ধারের ঘটনার প্রকৃত রহস্য উম্মোচন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীসহ তিনজনকে গ্রেফতার এবং লুণ্ঠিত অটোরিকশাটিও উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় ঢাকা জেলা পিবিআই কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ।
তিনি বলেন, গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর থেকে মিলন নিখোঁজ ছিল। নিখোঁজের দুই মাস পর গত ১ ডিসেম্বর আশুলিয়া মডেল টাউনের কাশবনে মেলে তার ৩৮ টুকরো করে কঙ্কাল। তার পরনের গেঞ্জি ও প্যান্ট দেখে তার দেহ শনাক্ত করে পরিবার। এই ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে দীর্ঘ খোঁজাখুঁজির পর ১৮ নভেম্বর আশুলিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন মিলনের মা জোসনা বেগম।
পুলিশ সুপার এম এন মোর্শেদ বলেন, এ ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় রনি মিয়া ও সুমন নামে দুজনকে। রনি ও সুমন, মিলনের অটোরিকশা নিয়ে আশুলিয়া মডেল টাউনের গিয়ে গাজা সেবন করে। সেখানেই গলাচেপে হত্যা করা হয় মিলনকে। মূলত নগদ টাকার জন্য খুন করা হয় মিলনকে।
তিনি আরও বলেন, মিলনকে হত্যার পর তার অটোরিকশা নিয়ে পালিয়ে যায় রনি ও সুমন। পরে, এরশাদ আলীর কাছে তা ৬২ হাজার টাকায় বিক্রি করে, যা ৬৫ হাজারে আবুল কালামের কাছে বিক্রি করে এরশাদ।
তিনি বলেন, ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ আদালতে স্বীকার করেছে আসামিরা। তাদের বিরুদ্ধে আরও কোনো মামলা আছে কি না সে বিষয়টি যাচাই বাছাই চলছে।