ঢাকা: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষে চূড়ান্ত লড়াইয়ের চিত্র স্পষ্ট হয়েছে। ২৯৮টি আসনে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন ৩০৫ জন প্রার্থী। ফলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশের বিভিন্ন আসনে মোট ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার পর নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকেই প্রার্থীরা তাদের কাঙ্ক্ষিত প্রতীক বরাদ্দ পাবেন।
নির্বাচনের পরিসংখ্যান:
মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী: ১,৯৬৭ জন (দলীয় ও স্বতন্ত্র)।
প্রার্থিতা প্রত্যাহার: ৩০৫ জন।
মোট জমা পড়া মনোনয়নপত্র: ২,৫৮৫টি (৩০০ আসনে)।
প্রাথমিক বাছাইয়ে বাতিল: ৭২৬টি।
আপিল শুনানি শেষে বৈধতা লাভ: ৪৩১ জন।
পাবনার দুটি আসনের বিশেষ পরিস্থিতি:
পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী বর্তমান তালিকা থেকে বাদ পড়বেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনায় এই দুটি আসনে নতুন তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। গত ১৮ জানুয়ারি ছিল আসন দুটিতে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন, যেখানে পাবনা-১ আসনে ৭টি এবং পাবনা-২ আসনে ৫টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
গত ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছিলেন এবং সেবার মোট প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৮৯৬ জন। সেই তুলনায় এবারের নির্বাচনে প্রার্থীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে।
উল্লেখ্য, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোটের মাধ্যমে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবেন।