Thursday 22 Jan 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ওবায়দুল কাদের ও সাদ্দামসহ ৭ নেতার বিচার শুরু হবে কি না, সিদ্ধান্ত আজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২২ জানুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৭

ওবায়দুল কাদের।

ঢাকা: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ দলটির শীর্ষ সাত নেতার বিরুদ্ধে বিচার শুরু হবে কি না সে বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষে আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২। বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেবেন।

প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন- বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

এর আগে, গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের শুনানি শেষে আদালত আজকের দিনটি আদেশের জন্য নির্ধারণ করেন। সেদিন প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিম। তারা শুনানিতে আসামিদের ব্যক্তিগত দায় তুলে ধরেন এবং ওবায়দুল কাদেরের বিরুদ্ধে আনা তিনটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাঠ করে শোনান।

বিজ্ঞাপন

এ মামলার সাতজন আসামিই বর্তমানে পলাতক। ওবায়দুল কাদের ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

প্রসিকিউশন পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের সময় আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ, উসকানি ও প্ররোচনার সঙ্গে আসামিরা জড়িত ছিলেন। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিচার শুরুর আবেদন জানান প্রসিকিউটররা।

অন্যদিকে পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী লোকমান হাওলাদার ও ইশরাত জাহান শুনানি করেন। তারা দাবি করেন, অভিযোগগুলোর সঙ্গে তাদের মক্কেলদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণের অভাবে অভিযোগ গঠন না করে আসামিদের অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানান।

উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আজ আদালত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন।

এর আগে, গত ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশন আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র (ফরমাল চার্জ) দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন। পরোয়ানা জারির পর গত ২৯ ডিসেম্বর আসামিদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হলেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের খুঁজে পায়নি। পরে ৩০ ডিসেম্বর পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে তাদের হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

গত ৮ জানুয়ারি আত্মসমর্পণের দিন ধার্য থাকলেও কেউ হাজির না হওয়ায় ট্রাইব্যুনাল আসামিদের পক্ষে স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেন। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বিচার শুরুর বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে যাচ্ছে।

সারাবাংলা/টিএম/ইআ
বিজ্ঞাপন

আরো