ঢাকা: আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে এক বিশাল কর্মযজ্ঞের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিংকালে কমিশন জানায়, এই নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে মোট ১৭ লাখ লোকবল নিয়োজিত থাকবে। এরমধ্যে কেবল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যই থাকছেন ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৫০ জন।
নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ এই ব্রিফিংয়ে নির্বাচনের বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরেন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনসহ অন্যান্য কমিশনার এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনের প্রধান পরিসংখ্যানগুলো-
- অংশগ্রহণকারী দল: মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে।
- প্রার্থী সংখ্যা: মোট প্রার্থী ১ হাজার ৯৯৪ জন (যার মধ্যে ২৫৬ জন স্বতন্ত্র)।
- নিরাপত্তা বাহিনী: ৯ লাখ ৪৩ হাজার ৫০ জন সদস্য (সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, আনসার ও কোস্ট গার্ড)।
- নির্বাচনি কর্মকর্তা: প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি ভোটগ্রহণে যুক্ত থাকবেন।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের বিস্তারিত বিন্যাস-
- রিটার্নিং কর্মকর্তা: ৬৯ জন
- সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা: ৫৯৮ জন
- প্রিজাইডিং অফিসার: ৪২ হাজার ৭৭৯ জন
- সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার: ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন
- পোলিং অফিসার: ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৭৬৪ জন
- পোস্টাল ভোটের কর্মকর্তা: ১৫ হাজার জন (প্রায়)
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টায় নির্বাচনি প্রচার শেষ হবে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে। একই দিনে সংবিধানের ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনে দেশব্যাপী গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।