কুষ্টিয়া: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডে একজন গুপ্ত শিবিরও ছিলেন। পাশে আগস্ট পরবর্তী সময়ে জামাত এবং শিবিরের আইনজীবী তাকে বাঁচানোর জন্য লড়াইয়ে নেমেছিলেন। জনরসের কারণে তিনি সেখান থেকে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন।’
শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কুষ্টিয়ার কয়া ইউনিয়নে শহিদ আবরার ফাহাদের কবর জিয়ারত করে তিনি এমন মন্তব্য করেন।
আবিদুল ইসলাম খান বলেন, আবরার ফাহাদ বাংলাদেশের আধিপত্যবাদী অপশক্তির যে লড়াই সে লড়াইয়ের অন্যতম এক পথিক। এখানে শুধু আবরার ফাহাদ নয় ইলিয়াস আলী আছেন, গত কয়েকদিন আগে শহিদ হয়েছেন ওসমান হাদি ভাই। আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে যে লড়াই সে লড়াইয়ের আপসহীন পথিক হচ্ছেন তারা। যুগ যুগ ধরে তারা আমাদের অগ্রদূত হয়ে থাকবে।
আবিদুল আরও বলেন, বিগত দীর্ঘ দুশানের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যত অন্যায় অনাচার হয়েছে তার অর্ধেক করেছে ছাত্রলীগ, অর্ধেক করেছে শিবির। ছাত্রলীগকে যেভাবে বিচারের মুখোমুখি করা হয়েছে, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হলে শিবিরকেও বিচারের মুখোমুখি করা হবে। কারণ এরাই ৫ অগষ্ট পরবর্তিতে দেশের রাজনীতির মাঠকে উত্তপ্ত করেছে।
এ সময় ছাত্রদল নেতা শেখ তানভীর বারী হামিম, শেখ নুর উদ্দিন আবির, তানভীর আল হাদী ও কুষ্টিয়া জেলা ছাত্রদলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও শহিদ আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ, কয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ইমরান হোসেন ইউনুচ উপস্থিত ছিলেন।