বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক ১০ দিন আগে বড় এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। টি-২০ বিশ্বকাপ বর্জন না করলেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে। এমন ঘোষণার পর থেকেই গুঞ্জন উঠেছিল, পাকিস্তানকে শাস্তি দিতে পারে আইসিসি। তবে শেষ পর্যন্ত কোন কারণে পিসিবিকে শাস্তি দিতে পারছে না আইসিসি?
আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় গ্রুপ পর্বের ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানের। তবে রোববার পাকিস্তান সরকার জানিয়ে দেয়, ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে না পাকিস্তান দল।
ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার ঘণ্টা তিনেক পর এই সিদ্ধান্তের সম্ভাব্য পরিণতির কথা জানিয়ে পাকিস্তানকে সতর্ক করে দেয় আইসিসি। পাকিস্তানকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহবানও জানানো হয় বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্তা সংস্থার পক্ষ থেকে। তবে পাকিস্তান সেটা আমলে নেয়নি।
বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে বিশাল অঙ্কের সম্ভাব্য আয় হারাবে আইসিসি। সেই আর্থিক ঘাটতি পুষিয়ে নিতে পিসিবিকে জরিমানা করা কিংবা আইসিসির রাজস্ব থেকে পিসিবির ভাগ কমিয়ে দেওয়া হতে পারে বলেও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে খবর এসেছে।
তবে পিসিবি ও আইসিসির সাবেক চেয়ারম্যান মানিক জানিয়েছেন, সরকারি নির্দেশনা মানার জন্য পাকিস্তানকে শাস্তি দেওয়া যাবে না, ‘সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করায় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা যাবে না। এই কারণ দেখিয়ে ভারত ২০২৫ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ম্যাচ পাকিস্তানে খেলতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। দ্বিমুখী নীতি অবলম্বন করা যাবে না। তাই দুর্ভাগ্যবশত, আমি আবারও এই সত্যটি তুলে ধরছি যে, সমস্যা মোকাবেলা করার পরিবর্তে আইসিসি কেবল দর্শকের ভূমিকা পালন করেছিল।’
এদিকে পিসিবির সূত্রের বরাত দিয়ে ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে আবার ভারতের বিপক্ষে খেলা হলে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলবে বোর্ড, ‘সরকার বোর্ডকে আরও জানিয়েছে যে, জাতীয় দল ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিপক্ষে খেলবে না এবং বিশ্বকাপে তাদের পয়েন্ট হারাবে। নকআউট পর্বে পাকিস্তানকে ভারতের বিপক্ষে খেলতে হতে পারে এমন পরিস্থিতিতে, বোর্ড সেই সময়ও সরকারের নেওয়া যেকোনো সিদ্ধান্ত অনুসরণ করবে।’