Tuesday 03 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঢাবির প্রফেসর ইমেরিটাস হলেন ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান

সারাবাংলা ডেস্ক
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:১৬ | আপডেট: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২০

শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান।

ঢাকা: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের প্রফেসার ইমেরিটাস হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশের ট্রাস্টি বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান।

ঔষধি উদ্ভিদ গবেষণা ও ফাইটোকেমিস্ট্রিতে অসামান্য অবদানের মাধ্যমে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

১৯৫৩ সালের ৩১ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি ফার্ম (অনার্স) ও এম ফার্ম (থিসিস গ্রুপ) ডিগ্রি অর্জন করেন যথাক্রমে ১৯৭৩ ও ১৯৭৪ সালে (পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ ও ১৯৭৬ সালে)। উভয় পরীক্ষায় তিনি প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি যুক্তরাজ্যের স্ট্র্যাথকাইড বিশ্ববিদ্যালয়, গ্লাসগো থেকে ফাইটোকেমিস্ট্রিতে পিএইচডি ডিগ্রি লাভ করেন (১৯৮২), যেখানে তিনি কমনওয়েলথ স্কলারশিপ্রাপ্ত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

১৯৭৮ সালের জানুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগে শিক্ষকতা জীবন শুরু করেন ড. হাসান। দীর্ঘ একাডেমিক জীবনে তিনি ১৯৯২ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন এবং বিভাগীয় চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ডিন হিসেবেও দুই মেয়াদে (১৯৯৯-২০০৩) নির্বাচিত হন।

একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ওষুধ প্রশাসনের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ বৈজ্ঞানিক ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) চেয়ারম্যান এবং ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত মানারাত আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ছিলেন। জাতীয় ওষুধ নীতি প্রণয়নে ড. চৌধুরী মাহমুদ হাসানের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। বিশেষজ্ঞ কমিটির সদস্য হিসেবে তিনি ২০০৫ সালের জাতীয় ওষুধ নীতিতে এবং ওষুধ অধ্যাদেশে ‘ভেষজ ঔষধ’ অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।

গবেষণা ও শিক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি হাবিবুর রহমান স্বর্ণপদক (২০০৩), বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি স্বর্ণপদক (২০০৬), চন্দ্রাবতী স্বর্ণপদক (২০০৭) ও অতীশ দীপঙ্কর স্বর্ণপদক (২০০৮) অর্জন করেন। তিনি আমেরিকান কেমিকেল সোসাইটি, আমেরিকান সোসাইটি অব ফার্মাকগনোসি, রয়েল সোসাইটি অব কেমিস্ট্রি এবং বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ফেলো। ২০১৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেসের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর