Friday 06 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে গুরুত্ব পাচ্ছে যেসব বিষয়

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:১৮ | আপডেট: ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৪

নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করছেন তারেক রহমান। ছবি: সারাবাংলা

ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পাঁচ অধ্যায়ে বিভক্ত নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ইশতেহার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা শুরু করেন। ইশতেহারে রাষ্ট্র পরিচালনা, অর্থনীতি, সমাজ, সংস্কৃতি এবং অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়ন-এই পাঁচটি বড় পরিসরে ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

দলীয় সূত্র জানায়, ইশতেহারের প্রথম অধ্যায়ে রাষ্ট্রব্যবস্থা সংস্কারকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা, সাংবিধানিক সংস্কার, জাতীয় ঐক্য, সুশাসন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, পুলিশ সংস্কার এবং শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অঙ্গীকার রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় অধ্যায়ে বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়েছে। দারিদ্র্য নিরসন, সামাজিক সুরক্ষা জোরদার, নারী ক্ষমতায়ন, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন, শ্রমিক ও প্রবাসী কল্যাণ, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ইশতেহারের তৃতীয় অধ্যায়ে ভঙ্গুর অর্থনীতির পুনর্গঠন ও পুনরুদ্ধারের রূপরেখা রয়েছে। বিনিয়োগ বাড়ানো, ব্যাংক ও আর্থিক খাত সংস্কার, শিল্প ও সেবা খাতের উন্নয়ন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, পরিবহন ব্যবস্থা, সৃজনশীল অর্থনীতি এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার কথা বলা হয়েছে।

চতুর্থ অধ্যায়ে অঞ্চলভিত্তিক সুষম উন্নয়নের পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলা, হাওর-বাঁওড় ও উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়ন, নগরায়ণ ও আবাসন, নিরাপদ ও টেকসই ঢাকা গড়ে তোলা এবং পর্যটন খাতের সম্প্রসারণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সবশেষ পঞ্চম অধ্যায়ে ধর্ম, সমাজ, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি খাতকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখা, পাহাড় ও সমতলের জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করা, ক্রীড়া উন্নয়ন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চা এবং নৈতিকতার পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকার করা হয়েছে।

সারাবাংলা/এফএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর