ঢাকা: দেশের বিভিন্ন স্থান ও প্রবাস থেকে ৪ লাখ ৭০ হাজার পোস্টাল ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের দফতরে এসে পৌঁছেছে।
রোববার (৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ‘আউট অব কান্ট্রি ভোটিং সিস্টেম অ্যান্ড ইমপ্লিমেন্টেশন’ (ওসিভি-এসডিআই) প্রকল্পের টিম লিডার সালীম আহমাদ খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, এই প্রক্রিয়ায় প্রবাসীদের পাশাপাশি দেশের ভেতরে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও অন্যান্য যোগ্য ভোটাররাও ব্যাপক সাড়া দিচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রবাসী ভোটারদের জন্য পাঠানো ব্যালটের একটি বড় অংশ এরই মধ্যে বাংলাদেশে ফেরত এসেছে।
ব্যালট পাঠানো হয়েছে: ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের দেশগুলোতে পৌঁছেছে।
ব্যালট গ্রহণ ও ভোটদান: ৫ লাখ ২৭ হাজার ৪৫০ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট হাতে পেয়েছেন এবং এর মধ্যে ৫ লাখ ৩ হাজার ৪৪১ জন তাদের ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।
ডাকযোগে প্রেরণ: ভোট দেওয়ার পর ৪ লাখ ৮৪ হাজার ৭৬৫ জন ভোটার সংশ্লিষ্ট দেশের পোস্ট অফিস বা ডাক বাক্সে তাদের ব্যালট জমা দিয়েছেন।
দেশে পৌঁছানো: প্রবাস থেকে ৪ লাখ ২৮ হাজার ৮২৮টি ব্যালট এরই মধ্যে বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ৩ লাখ ১৮ হাজার ১২৫টি ব্যালট সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা বুঝে পেয়েছেন।
দেশের অভ্যন্তরে যারা পোস্টাল ব্যালটে (ইন্টারনাল সিটি পোস্টাল ভোট- আইসিপিভি) ভোট দিচ্ছেন, তাদের কার্যক্রমও দ্রুতগতিতে চলছে।
প্রেরিত ব্যালট: বিডি পোস্টের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে ৭ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৮টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে।
ভোটদান সম্পন্ন: ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৪২ জন ভোটার ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৩ লাখ ৮৮ হাজার ৮৯৮ জন তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তার হাতে: ভোটাররা ৩ লাখ ৪৪ হাজার ৮২৬টি ব্যালট ডাক বাক্সে জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৭টি ব্যালট রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছেছে।
নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, পোস্টাল ব্যালটের এই অ্যাপটি মূলত ব্যালট ট্র্যাকিং এবং ভোটারদের সুবিধার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে। তবে ভোটদান ও ঘোষণাপত্র সইয়ের পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হচ্ছে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে। নির্বাচনের দিন (১২ ফেব্রুয়ারি) নির্ধারিত সময় শেষে সাধারণ ভোটের সাথেই এই পোস্টাল ব্যালটগুলো গণনা করা হবে।