Tuesday 10 Feb 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শেষ হলো প্রচার, নির্বাচনের ক্ষণগণনা শুরু

মো. মহসিন হোসেন স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৬ | আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১২:২৬

ঢাকা: জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণের ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ হলো আনুষ্ঠানিক প্রচার। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ প্রচার চালাতে পারবেন না।

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত টানা ভোট গ্রহণ চলবে। ৩০০ আসনের তপসিল ঘোষণা হলেও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুতে শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে। ফলে ২৯৯ আসনে একইসঙ্গে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট হচ্ছে।

গত ১১ ডিসেম্বর জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের তপসিল ঘোষণা করেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। গত ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ শেষে ২২ জানুয়ারি (২১ জানুয়ারি রাত ১২টা) থেকে ১৯ দিনের আনুষ্ঠানিক প্রচারে নামার সুযোগ পান সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা।

বিজ্ঞাপন

এবারের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি রাজনৈতিক দল। মোট প্রার্থী রয়েছেন ২ হাজার ৩৪ জন, যার মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৭৫ জন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি, যারা ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন ২৯১ জন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২৫৮ জন প্রার্থী হাতপাখা প্রতীকে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২২৫ জন প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে এবং জাতীয় পার্টি ১৯৮ জন প্রার্থী লাঙ্গল প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির ৩০ জন প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীকে রয়েছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে ৭৬ জন ফুটবল প্রতীকে লড়ছেন।

ভোটার সংখ্যার দিক থেকেও এবারের নির্বাচন বড়। মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫৪ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার এক হাজার ২২০ জন।

ভোট পরিচালনার প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। ২৯৯টি সংসদীয় আসনে ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২টি ভোটকক্ষ থাকবে। নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোতায়েন থাকবেন প্রায় ৯ লাখ সদস্য। পর্যবেক্ষণে থাকবেন ৮১টি দেশি সংস্থার ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন এবং প্রায় ৫০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক।

ভোট উপলক্ষে আগামী বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) ও ভোটের দিন বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সরকারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। একইসঙ্গে শুক্রবার ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় এবার এক টানা চারদিন ছুটি পাচ্ছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এদিকে টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেয়েছে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসা।

এবারের নির্বাচনে ভোটাররা দুটি পৃথক ব্যালট পেপার পাবেন। একটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীর জন্য এবং অন্যটি সংবিধানের মৌলিক পরিবর্তনসংক্রান্ত ‘জুলাই সনদ’ অনুমোদনের পক্ষে বা বিপক্ষে মত দেওয়ার জন্য। যেটাকে বলা হচ্ছে হ্যাঁ-না ভোট। ভোটার তার ইচ্ছে মতো হ্যাঁ অথবা না ভোট দিতে পারবেন।

নির্বাচন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া বুধবার রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত পর্যন্ত ট্যাক্সি, বাস, ট্রাক, মাইক্রোবাস, পিকআপ, কার ও ইজিবাইক চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।

প্রচারের শেষ দিনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার নিজের নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭সহ রাজধানীর বিভিন্ন আসনে মোট আটটি পথসভায় অংশ নেন। সব মিলিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশে ৪১টি জনসভায় বক্তব্য দেন তারেক রহমান। শেষ দিন নির্বাচনি পথসভা শেষে তিনি তার পিতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মাতা সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারতের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রচার কাজ শেষ করেন।

অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ঢাকা-১৫ আসনে গণসংযোগ ও গণমিছিলে অংশ নেন এবং ঢাকার কয়েকটি আসনে পথসভায় বক্তব্য দেন। তিনিও সারাদেশে ৭০টির মতো জনসভায় অংশ নেন বলে দলীয় সুত্র জানায়।

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিগত আমলের নির্বাচনগুলোকে ‘ফেক’ ও ‘প্রহসন’ আখ্যা দিয়ে আসন্ন নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও ঐতিহাসিক করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) প্রায় ৭০ জন সচিবের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাত্র দুই দিন আগে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে এই বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এসব তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের অতীত চিত্র তুলে ধরে বলেন, সেগুলো প্রকৃত নির্বাচন ছিল না, বরং ছিল এক ধরনের মকারি। সব কটিই ছিল ভুয়া নির্বাচন। তিনি সচিবদের আশ্বস্ত করেন, এবারের নির্বাচন হবে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু। নির্বাচনের আর মাত্র দুই দিন বাকি, প্রায় লক্ষ্যে পৌঁছে গেছি। এই নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক কাঠামোয় এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আনবে।”

জানা গেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর গত ৬০ দিনে ২৩৭টি ‘সহিংস’ ঘটনা ঘটেছে। নিহত হয়েছেন ১৭ জন। যদিও সরকারের দাবি, নিহতের ঘটনার মধ্যে পাঁচটিকে সরাসরি রাজনীতিসংশ্লিষ্ট বলা যায়। অন্যদিকে আহত হয়েছেন এক হাজার ১০৯ জন।

পুলিশ সদর দপ্তরের হিসাবে, ২০০১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার দিন থেকে ভোট গ্রহণের পরের চার দিন পর্যন্ত সহিংস ঘটনায় মারা গেছেন ৮৯ জন। আহত ব্যক্তির সংখ্যা দুই হাজার ৬৫১ জন।

সূত্র বলছে, সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবারের নির্বাচনে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। শুধু সশস্ত্র বাহিনী থেকেই ১ লাখ ৮ হাজারের মতো সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে, যা আগের নির্বাচনের তুলনায় প্রায় তিনগুণ।

আগের তিন নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয় ৪০ থেকে ৪২ হাজার। এছাড়াও এবার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার।

২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। সরকার পতনের পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যান। সেখানে রয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চলে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে স্পর্শকাতর বিভিন্ন ছবি তৈরি করা হচ্ছে এবং অনলাইনে জনমত প্রভাবিত করার জন্য এসব ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে নিয়মিত।

এমন অপতথ্য ছড়ানো বন্ধে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্কের সাহায্য চেয়ে বলেছেন , নির্বাচন ঘিরে অপতথ্যের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি বলছে, যেসব অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে এর কেন্দ্রে রয়েছে সংখ্যালঘু নির্যাতন। এসব অপতথ্য ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চলছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব পোস্টের সঙ্গে ‘ হিন্দু জেনোসাইডের মতো হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করা হচ্ছে।

একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হচ্ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট পর্যবেক্ষণে ১২ই ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ চষে বেড়াবেন ৪৫ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের ১৭০ প্রতিনিধি।

বিদেশি সাংবাদিকদের বিশাল বহরের বেশির ভাগ এরই মধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছেন। অনেকে পথে রয়েছেন, তারা কাল পৌঁছাবেন। দুই চারজনের ভোটের আগের রাতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

দায়িত্বশীল কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, ভোট পর্যবেক্ষণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার মোট ৫৪২ জন প্রতিনিধি নিবন্ধন করেছেন।

৯ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত যে তথ্য হালনাগাদ হয়েছে তাতে ২৩টি দেশ ও ৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি রয়েছেন। ওই তালিকায় নাম রয়েছে ৫১ জন স্বাধীন পর্যবেক্ষক এবং ১৭০ জন বিদেশি সাংবাদিকের।

সুত্র জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর) আসনটি সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের তালিকায় আছে। আসনের ১২১টি কেন্দ্রকে ‌‌’অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে। এই আসনে মোট ১৯২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

জেলা পর্যায়ে কিশোরগঞ্জে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে। জেলার ছয়টি নির্বাচনী এলাকার ৮৮৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৪৩৮টিই অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত।

বিভাগের মধ্যে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকার শীর্ষে রয়েছে ঢাকা। এই বিভাগের ২ হাজার ৯৪৪টি ভোটকেন্দ্র অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিভাগে মোট ১০ হাজার ১৬২টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতিতে ক্রমে স্পষ্ট হয়ে উঠছে ভোটের নতুন সমীকরণ। নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে প্রকাশিত জরিপের ফলাফলে ভোটের হিসাবে বিএনপি সামান্য এগিয়ে থাকলেও তুলনামূলক বেশি আসনে জামায়াত এগিয়ে থাকার পূর্বাভাস দিচ্ছে।

এতে বলা হয়, ৪৪.১ শতাংশ ভোট বিএনপি পাচ্ছে, আর জামায়াতের ভোট ৪৩.৯ শতাংশ। জরিপ অনুযায়ী জামায়াত ১০৫টি আসনে জয় পেতে পারে, আর বিএনপি পেতে পারে ১০১টি আসন।

অন্য দিকে অন্যান্য দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয় পেতে পারেন ১৯টি আসনে। এ ছাড়া ৭৫টি আসনে বিএনপি ও জামায়াত দুই প্রধান জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে জরিপে উল্লেখ করা হয়েছে।

ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (আইআইএলডি) এবং জার্নাল অব ডেমোক্র্যাসির যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রাক-নির্বাচনি জনমত জরিপে জাতীয় নির্বাচনে এমন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস দেয়া হয়েছে। সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

বিভিন্ন মহলের মূল্যায়নে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ তিনটি জাতীয় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই তিন নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, নারীরা যে পক্ষে বেশি ভোট দিয়েছেন, সেই দলই বিজয়ী হয়েছে।

এছাড়া বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে পুরুষের তুলনায় নারীদের বেশি ভোট দেওয়ার প্রবণতাও বিভিন্ন গবেষণা ও জরিপে উঠে এসেছে। তাই বিশ্লেষকরা বলছেন, এবারের নির্বাচনেও নারী ভোটারদের ভোট জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে।

বিজ্ঞাপন

আরো

মো. মহসিন হোসেন - আরো পড়ুন
সম্পর্কিত খবর