আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে খেলা অনেক আগেই নিশ্চিত করেছিলেন তারা। তবে আগেভাগে বিশ্বকাপে পা রাখলেও মূল পর্বে ইরানের খেলা নিয়েই জেগেছে বড় শঙ্কা। ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় হতে যাওয়া বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অবশ্য সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান বিশ্বকাপে না এলেও তার কিছুই যায় আসে না।
গত কয়েকদিন ধরেই চলছে ইরান-ইসরায়েল সংঘাত। এতে ইসরায়েলের সঙ্গী হিসেবে আছে যুক্তরাষ্ট্রও। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে যাবে কিনা ইরান, সে নিয়েই উঠেছে বড় প্রশ্ন।
সংবাদমাধ্যম ‘পলিটিকো’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার সত্যিই কিছু যায় আসে না (ইরান অংশ নিল কিনা)। ইরান বর্তমানে একটি বিধ্বস্ত দেশ। তাদের অবস্থা এখন খুবই নাজুক।’
চলতি সপ্তাহে আটলান্টায় বিশ্বকাপ অংশগ্রহণকারী দেশগুলোকে নিয়ে ফিফার একটি পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে একমাত্র অনুপস্থিত দেশ ছিল ইরান।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহেদি তাজ যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাবের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বর্তমান মারমুখী অবস্থান ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের জন্য মোটেও ইতিবাচক কোনো সংকেত দিচ্ছে না।
গত বছর এশীয় অঞ্চলের বাছাইপর্বে গ্রুপ ‘এ’-তে শীর্ষে থেকে টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নেয় ইরান। এবারের আসরে তারা রয়েছে গ্রুপ ‘জি’-তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ড। সূচি অনুযায়ী ইরানের দুটি ম্যাচ যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে এবং একটি সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।