বেনাপোল: শুল্কমুক্ত সুবিধার আওতায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাঁচ হাজার পাঁচ টন চাল দেশে এসেছে। ১৬ দিনে ৩২টি চালানের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক কাজী রতন জানান, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১০ মার্চ রাত ১০টা পর্যন্ত ভারতের পেট্রাপোল স্থলবন্দর হয়ে এসব চাল বেনাপোলে আসে। বর্তমানে বন্দরে চাল খালাসের প্রক্রিয়া চলছে এবং সেগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রির জন্য পাঠানো হচ্ছে।
আমদানিকৃত চালের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান দু’টি হলো হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ। চাল ছাড়করণের কাজ করছে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট মের্সাস ভূঁইয়া এন্টারপ্রাইজ।
হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ বলেন, ‘ভারত থেকে ১৪১টি ট্রাকে করে এসব চাল আমদানি করা হয়েছে। প্রতি কেজি চালের বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। খোলা বাজারে এ চাল প্রতি কেজি ৫১ টাকায় বিক্রি করা হবে।’
বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, ‘চলতি বছরের ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। এ জন্য সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত। এরমধ্যে দু’টি প্রতিষ্ঠান বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রায় পাঁচ হাজার টন মোটা চাল আমদানি করেছে।’
তিনি আরও জানান, এর আগে গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর—এই চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে ছয় হাজার ১২৮ টন চাল আমদানি করা হয়েছিল।