ঢাকা: পবিত্র ঈদুল ফিতরের আনন্দ ম্লান করতে পারে চৈত্রের বৃষ্টি। গত কয়েক দিনের ধারাবাহিকতায় ঈদের দিন আজ দেশের সব বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। একইসঙ্গে দেশের ওপর দিয়ে শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আবহাওয়াবিদ ও গবেষকরা।
শনিবার (২১ মার্চ) আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় লঘুচাপের বর্ধিতাংশ অবস্থান করছে এবং দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে স্বাভাবিক মৌসুমী লঘুচাপ রয়েছে। এর প্রভাবে রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির আশঙ্কাও রয়েছে। বিশেষ করে ঢাকা বিভাগে বৃষ্টির প্রবণতা অন্য অঞ্চলের চেয়ে বেশি থাকতে পারে।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ জানিয়েছেন, আজ সারাদেশে দুই দফায় শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড় ও তীব্র বজ্রপাত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে— যার একটি হতে পারে সকালের দিকে এবং অন্যটি সন্ধ্যার পর। ঈদের পরদিনও এই ঝড়-বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে।
বৃষ্টির কারণে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে স্বস্তির খবর হলো, এই বৃষ্টি টানা হওয়ার সম্ভাবনা কম।
আবহাওয়া দফতরের মতে, বৃষ্টির ফাঁকে ফাঁকে রোদের দেখাও মিলতে পারে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা টেকনাফে ৩৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।