ঢাকা: একাত্তরের ২৫ মার্চের সেই নৃশংস গণহত্যা ও বর্বরোচিত কালো অধ্যায়কে স্মরণে রেখে আগামী বুধবার (২৫ মার্চ) দেশজুড়ে এক মিনিটের জন্য প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ কর্মসূচি পালিত হবে।
সোমবার (২৩ মার্চ) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় পর্যায়ে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গণহত্যা দিবসের মর্যাদা রক্ষা এবং শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে বুধবার রাত ১০টা ৩০ মিনিট থেকে ১০টা ৩১ মিনিট পর্যন্ত পুরো দেশ প্রতীকী অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকবে।
জরুরি সেবা ও কেপিআইভুক্ত এলাকা আওতামুক্ত
এক মিনিটের এই প্রতীকী অন্ধকারে সাধারণ মানুষের বাড়ি-ঘর ও স্থাপনার বাতি বন্ধ রাখা হলেও বিদ্যুৎ সচল থাকবে জরুরি সেবামূলক প্রতিষ্ঠানগুলোতে। হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, কেপিআইভুক্ত (Key Point Installation) এলাকা এবং বাংলাদেশে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের বিদেশি দূতাবাস বা মিশনগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে।
আলোকসজ্জায় কঠোর নিষেধাজ্ঞা
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, দিবসটির ভাবগাম্ভীর্য ও শোকাবহ পরিবেশ বজায় রাখতে ২৫ মার্চ রাতে কোনো সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত কিংবা বেসরকারি ভবন বা স্থাপনায় কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করা যাবে না।
এর আগে, গত ৮ মার্চ সচিবালয়ে এক প্রস্তুতি সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছিলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট ও সরকারের কৃচ্ছ্রসাধন নীতির অংশ হিসেবে এবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসেও দেশব্যাপী কোনো আলোকসজ্জা করা হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, ২৫ মার্চের এই প্রতীকী অন্ধকার মূলত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রতিবাদ এবং শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতি জাতীয় ঐক্যের এক অনন্য বহিঃপ্রকাশ।