ঢাকা: জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) সংশোধনের ক্ষেত্রে নাগরিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমাতে একটি বড় সিদ্ধান্ত নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখন থেকে উপজেলা নির্বাচন অফিসের পাশাপাশি আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়েও ভোটারদের আঙুলের ছাপ বা বায়োমেট্রিক যাচাই করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বর্তমানে জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম কিংবা পিতা-মাতার নাম বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য নাগরিকদের আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে যেতে হয়। সেখানে সব নথিপত্র ঠিক থাকলেও কেবল বায়োমেট্রিক মেলানোর (আঙুলের ছাপ যাচাই) ব্যবস্থা না থাকায় আবেদনকারীকে আবারও দৌড়াতে হতো উপজেলা কার্যালয়ে কিংবা ঢাকায় কেন্দ্রীয় অফিসে। এই দ্বিমুখী যাতায়াতের কারণে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়তেন এবং কাজ শেষ হতে দীর্ঘ সময় লাগত।
গ্রাহকদের এই কষ্ট লাঘব এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করতেই আঞ্চলিক কার্যালয়ে এই প্রযুক্তিগত সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, আঞ্চলিক পর্যায়ে আঙুলের ছাপ মেলানোর (এফআইএস ম্যাচিং) ব্যবস্থা আগে ছিল না। বিষয়টি নিয়ে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। চূড়ান্ত নির্দেশনা পাওয়ামাত্রই মাঠ পর্যায়ে এটি কার্যকর করার প্রক্রিয়া শুরু হবে।
নির্বাচন কমিশনের হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন এবং হিজড়া ভোটার ১ হাজার ১২০ জন।