জাবি: রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় মা-ভাগ্নেসহ মারা গেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) অর্থনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ান। তাদের মরদেহ নদী থেকে উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
নিহত আহনাফ রাইয়ান জাবির অর্থনীতি বিভাগের স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থী। অপর দু’জন হলেন—তার মা রেহেনা আক্তার ও ভাগনে মো. তাজবিদ। তবে এ ঘটনায় বেঁচে যান তারই বড় বোন ডা. নুসরাত জাহান খান সাবা। ঈদের ছুটি শেষে তারা ঢাকায় ফিরছিলেন।
আহনাফ রাইয়ান রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি রাজবাড়ি ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাবি ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতি ছিলেন।
রাইয়ানের মামা আওয়াল আনোয়ার জানান, ঈদের ছুটি শেষে আমার বোন রেহেনা আক্তার, ভাগনে রাইয়ান, ভাগনি ডা. সাবা তার সন্তান নিয়ে ঢাকার বাসায় যাচ্ছিল। সাবা বাস থেকে বের হতে পারলেও আর কেউ বের হতে পারেনি।
এ বিষয়ে রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফারুক উদ্দিন বলেন, ছোটবেলা থেকে আহনাফ রাইয়ান অনেক মেধাবী। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াকালীন তিনি বিতর্ক করতেন। বিশ্ববিদ্যালয়েও ভালো বিতর্ক করতেন। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং অর্গানাইজেশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকায় প্রায় ৪০ জন যাত্রী নিয়ে ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনাকবলিত ওই বাসে রাইয়ানসহ তার মা, বোন ও ভাগ্নে অবস্থান করছিলেন।