Thursday 26 Mar 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

যাদের আত্মত্যাগে আমাদের স্বাধীনতা তাদের জাতি ভুলবে না: চসিক মেয়র

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
২৬ মার্চ ২০২৬ ১৩:৪১

চট্টগ্রাম: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে জাতির বীর শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সূর্যোদয়ের পর নগরীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানান মেয়র।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মেয়র বলেন, ‘মহান স্বাধীনতা দিবসে আমি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহিদ সকল বীর সন্তানদের গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। যারা আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তাদের অবদান জাতি কখনো ভুলবে না।’

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানকারী শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে দেশের পক্ষে অবদান রাখা সকল বীর মুক্তিযোদ্ধার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো আমাদের দায়িত্ব।

বিজ্ঞাপন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ৫৫তম বার্ষিকী উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘স্বাধীনতা অর্জন একটি বড় বিষয়, কিন্তু সেই স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও বড় চ্যালেঞ্জ। আমাদের লক্ষ্য হতে হবে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা। এরই মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ নানামুখী উদ্যোগের মাধ্যমে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে স্বনির্ভর করে তোলার কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও গতিশীল করবে।’

রাষ্ট্রনায়ক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি দুর্নীতিমুক্ত ও স্বনির্ভর রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠবে। মেয়র দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার চেতনা ধারণ করে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

চট্টগ্রামের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থানসমূহ সংরক্ষণে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে মেয়র বলেন, বিপ্লব উদ্যান, বধ্যভূমি, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরসহ মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ স্থান সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হবে।

তিনি আরও বলেন, চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে আমরা কাজ করছি। তবে অনেক স্থাপনা বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীন হওয়ায় সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন, যাতে সিটি কর্পোরেশনও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান এবং শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এসব ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে জাতি হিসেবে আমরা দায়মুক্ত হতে পারব না।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা।

সারাবাংলা/এসএন/এনজে
বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর