Sunday 12 Apr 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে হামে ঝুঁকিপূর্ণ উপজেলা শনাক্ত করা হয়েছে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:৫৭ | আপডেট: ১২ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:০০

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত।

ঢাকা: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এম এ মুহিত বলেছেন, হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার বদ্ধপরিকর। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে তথ্য বিশ্লেষণ করে দেশের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি উপজেলাকে শনাক্ত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে এসব এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে বিশেষ টিকা দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১২ এপ্রিল) রাজধানীর বনানীর এরশাদ মাঠে হাম-রুবেলা এই টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, জনগণ যে আশা নিয়ে যে স্বপ্ন নিয়ে স্বৈরাচারের বাংলাদেশ থেকে নতুন গণতন্ত্রে বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য আমাদের ভোট দিয়েছেন, সমর্থন দিয়েছেন, আমরা তাদের সেই স্বপ্নকে পূরণ করতে পারব। তাদের সেই সমর্থনকে ধরে রাখতে পারব।
সরকারে আসার পর থেকে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা মানুষের জন্য কাজ করছি। কিন্তু যদি আমরা বারবার মানুষের কাছে যেতে পারি, মানুষ জানবে আমাদের কাজের ফল এই সুযোগে আমরা তাদের কাছে যাব। তাদের জন্যই আমরা কাজ নিয়ে এসেছি। আর এটি হল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ শিশুদের সুরক্ষা। মানুষের কাছে এসে কাজ করা এই ক্যাম্পেইনটি একটি বড় সুযোগ।

তিনি বলেন, আপনারা যখন জনগণের কাছে সঠিক তথ্য নিয়ে যাবেন, তখন মানুষ প্রকৃত সত্য উপলব্ধি করতে পারবে। আমাদের সরকার ও দলের বিরুদ্ধে অতীতেও অপপ্রচার হয়েছে, এখনও হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের চেষ্টা করবে, কিন্তু জনগণ এখন অনেক সচেতন।

এম এ মুহিত বলেন, মায়েদের উদ্দেশ্য করে বলতে চাই। যাদের বয়স ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের কম তাদের অবশ্যই এই টিকার আওতায় আনবেন। এই টিকা সফল হবে কি হবে না, আমাদের সন্তানরা সুস্থ থাকবে কিনা শুধু আপনার একজন বাচ্চা টিকা নিল কিনা তার ওপর নির্ভরশীল নয়। হাম একদিকে যেমন দ্রুত ছড়ায়, অন্যদিকে সঠিক সময়ে টিকার মাধ্যমে এটি প্রতিরোধ করাও বেশ সহজ। একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর বড় অংশকে যদি টিকার আওতায় এনে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা যায়, তবে ওই এলাকার সব শিশু সুরক্ষিত থাকবে। অধিকাংশ শিশুকে এই টিকাদান কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব হলে হাম ছড়ানোর আর কোনো সুযোগ থাকবে না।

অনুষ্ঠানে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর গবেষণা কর্মকর্তা আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী, ইউনিসেফ ও ডব্লিউএইচও প্রতিনিধি দলের সদস্যরাসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

আরো

সম্পর্কিত খবর