ঢাকা: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, শিল্প রক্ষা পেলে শ্রমিকেরও কর্মসংস্থান হবে।
‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেজবুক পেজে তিনি একথা লেখেন।
তিনি তার পেজে লেখেন, ‘আগামীকাল ১ মে, আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এ দিনটি ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকবে চিরকাল। শ্রমিকদের শক্তি যোগাবে নিজেদের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে। এ লড়াই হোক যার যার ন্যায্য পাওনা বুঝে নেওয়ার জন্য। শ্রমিক বাঁচলে শিল্প বাঁচবে, শিল্প রক্ষা পেলে শ্রমিকেরও কর্মসংস্থান হবে। আল্লাহ পাক সকলকে সুস্থ রাখুন এবং দীর্ঘ জীবন দান করুন। সকল বঞ্চিত ও মজলুমের পাশে ইনশাআল্লাহ আমরা থাকব এই লড়াইয়ে। আল্লাহ হাফিজ।’
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১ মে) আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস। এ উপলক্ষ্যে বুধবার (২৯ এপ্রিল) গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ১ মে ‘মে দিবস’। ১৮৮৬ সালের ১ মে আমেরিকার শিকাগো শহরে শ্রমিক সমাজ তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আত্মত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। বিশ্বের শ্রমিক সমাজ তা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এখনো তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে আসছে। শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের সে আন্দোলন আজও পুরোপুরি সফলতা লাভ করেনি। প্রায় সময় শ্রমিকদেরকে তাদের ন্যায্য বেতন-ভাতার দাবিতে রাজপথে আন্দোলন করতে দেখা যায়।
এমনকি ন্যায্য পাওনা আদায় করতে গিয়ে তাদের মূল্যবান জীবনও দিতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি পূরণের পরিবর্তে মালিক পক্ষ নিজেদের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন, যা শ্রমিকদেরকে তাদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে শ্রমিকরাও তাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন করতে গিয়ে প্রতিষ্ঠানের ক্ষতির কারণ হয়। এ অবস্থার অবসান হওয়া দরকার।
তিনি বলেন, দেশে বিরাজমান পরিস্থিতিতে যথাযথ গুরুত্ব সহকারে ১ মে ‘আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস’ তথা ‘মে দিবস’ পালনের জন্য দেশের সর্বস্তরের শ্রমজীবী সমাজ ও দেশবাসীর প্রতি আমি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।