Thursday 07 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে স্বয়ংক্রিয় নোটিস, হাজিরা না দিলে গ্রেফতারি পরোয়ানা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
৩ মে ২০২৬ ১৭:৪৬ | আপডেট: ৩ মে ২০২৬ ২০:১৫

– ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে ভিডিও ও স্থিরচিত্র ধারণ করে অটো জেনারেটেড (স্বয়ংক্রিয়) নোটিশ পাঠানো শুরু করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। নোটিশ পাওয়ার পর হাজিরা না দিলে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হবে।

রোববার (৩ মে) ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার-এর সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা মহানগরের অভ্যন্তরে চলাচলরত সকল যানবাহনের মালিক ও চালকদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, যানজট নিরসন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নত নাগরিক সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন রুটে চলাচলরত রেজিস্ট্রেশন ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অবৈধ পার্কিং, প্রতিবন্ধকতা ইত্যাদি ট্রাফিক আইন অমান্যকারী মালিক-চালকদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ডিএমপি ট্রাফিক বিভাগ থেকে ভিডিও বা স্থিরচিত্র ধারণ করে ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন সফটওয়‍্যারের মাধ্যমে মালিক-চালকদের ঠিকানায় অটো জেনারেটেড নোটিশ রেজিস্ট্রিকৃত ডাকযোগে প্রেরণ করা হচ্ছে। নোটিশ পাওয়ার পর মালিক-চালকরা ডিএমপি সদর দফতর এবং সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির হয়ে নির্ধারিত জরিমানা ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধ করে মামলা নিষ্পত্তি করছেন।

বিজ্ঞাপন

এতে বলা হয়, নোটিশপ্রাপ্তির পরেও সংশ্লিষ্ট মালিক-চালকরা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে হাজির না হলে তাদের বিরুদ্ধে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রক্রিয়ার বাইরে সিসি ক্যামেরা বা ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে মামলার জরিমানা পরিশোধ সংক্রান্ত কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন কিংবা ব্যক্তিগত তথ্য আদান-প্রদান থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে পরামর্শ প্রদান করা হলো। কোনো ব্যক্তি বা অসাধু চক্র ভিডিও বা সিসি ক্যামেরার মামলার নাম ব্যবহার করে অর্থ পরিশোধের বার্তা দিলে বা প্রতারণার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানা বা সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক বিভাগে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডিএমপি সম্প্রতি বিভিন্ন ট্রাফিক সিগন্যাল ক্রসিংহ গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় এআই প্রযুক্তিসহ উন্নত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। এসব ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে বিভিন্ন সিগন্যাল বা ক্রসিংয়ে লাল বাতির সিগন্যাল অমান্য করা, স্টপ লাইন অতিক্রম, উল্টো পথে চলাচল, যত্রতত্র যাত্রী উঠিয়ে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, অবৈধ পার্কিং এবং লেফট লেন ব্লক করার মতো অপরাধে ডিজিটাল প্রসিকিউশন বা মামলা শুরু হয়েছে।